তীব্র গরমে মাথা ঘোরা? সঙ্গে সঙ্গে কী করবেন

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহে অনেকেই মাথা ঘোরা, দুর্বলতা ও বমিভাবের মতো সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত গরমে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে পানি ও লবণের ঘাটতি তৈরি হয়, যা থেকে মাথা ঘোরা বা হিট এক্সহসশনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে তা হিটস্ট্রোকে রূপ নিতে পারে, যা জীবনঝুঁকিও তৈরি করে। কেন মাথা ঘোরে? তীব্র গরমে শরীর অতিরিক্ত ঘাম ঝরায়। এতে, শরীর থেকে পানি কমে যায়।  লবণ ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হয়।  রক্তচাপ হঠাৎ কমে যেতে পারে। ফলে মাথা হালকা লাগা, চোখে ঝাপসা দেখা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন * হঠাৎ মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা * অতিরিক্ত ঘাম বা একেবারে ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া * বমি বমি ভাব * মাথাব্যথা * দ্রুত হৃদস্পন্দন এসব উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। সঙ্গে সঙ্গে কী করবেন মাথা ঘোরার অনুভূতি শুরু হলেই-  ১. ছায়াযুক্ত বা ঠান্ডা জায়গায় যান। ২. রোদ থেকে সরে গিয়ে বসে বা শুয়ে পড়ুন। ৩. পানি বা স্যালাইন পান করুন। ৪. ধীরে ধীরে ঠান্ডা পানি বা ওআরএস পান করুন। ৪. শরীর ঠান্ডা করুন। ৫. মাথা, ঘাড় ও

তীব্র গরমে মাথা ঘোরা? সঙ্গে সঙ্গে কী করবেন

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহে অনেকেই মাথা ঘোরা, দুর্বলতা ও বমিভাবের মতো সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত গরমে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে পানি ও লবণের ঘাটতি তৈরি হয়, যা থেকে মাথা ঘোরা বা হিট এক্সহসশনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে তা হিটস্ট্রোকে রূপ নিতে পারে, যা জীবনঝুঁকিও তৈরি করে।

কেন মাথা ঘোরে?

তীব্র গরমে শরীর অতিরিক্ত ঘাম ঝরায়। এতে, শরীর থেকে পানি কমে যায়।  লবণ ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হয়।  রক্তচাপ হঠাৎ কমে যেতে পারে। ফলে মাথা হালকা লাগা, চোখে ঝাপসা দেখা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন

* হঠাৎ মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা
* অতিরিক্ত ঘাম বা একেবারে ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া
* বমি বমি ভাব
* মাথাব্যথা
* দ্রুত হৃদস্পন্দন

এসব উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

সঙ্গে সঙ্গে কী করবেন

মাথা ঘোরার অনুভূতি শুরু হলেই-  ১. ছায়াযুক্ত বা ঠান্ডা জায়গায় যান। ২. রোদ থেকে সরে গিয়ে বসে বা শুয়ে পড়ুন। ৩. পানি বা স্যালাইন পান করুন। ৪. ধীরে ধীরে ঠান্ডা পানি বা ওআরএস পান করুন। ৪. শরীর ঠান্ডা করুন। ৫. মাথা, ঘাড় ও হাতে ভেজা কাপড় ব্যবহার করতে পারেন। ৬. টাইট পোশাক ঢিলা করুন। শরীরে বাতাস চলাচল বাড়াতে ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। ৭. একা থাকলে সাহায্য চান। ৮.  অবস্থা খারাপ হলে আশপাশের কারও সহায়তা নিন।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন

* অজ্ঞান হয়ে গেলে
* শরীরের তাপমাত্রা খুব বেড়ে গেলে
* বারবার বমি হলে
* কথা জড়িয়ে গেলে বা বিভ্রান্তি দেখা দিলে

এগুলো হিটস্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে, যা জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

প্রতিরোধে যা করবেন

* দিনের বেলা অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়া
* নিয়মিত পানি পান করা
* হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরা
* ছাতা বা টুপি ব্যবহার করা
* বেশি গরমে কাজ কমানো

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow