‘তুই নূর না?’ পুরোনো কর্মচারীকে দেখে বললেন তারেক রহমান
ঘড়ির কাঁটা তখন ১০টা ১০ মিনিট। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল, সরকারি ছুটির দিন। দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম কর্মদিবস। কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মো. তারেক এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে নিয়ম অনুযায়ী বৃক্ষরোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর অফিসের দিকে যাওয়ার সময় দূরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন কর্মচারীর দিকে তার নজর যায়। তাদের মধ্যে কেউ অফিস সহকারী, কেউ মালি, কেউ ড্রাইভার। একসময় তারা ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময়কার কর্মচারী। নিরাপত্তা ও প্রটোকলের কারণে তারা দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ভাবছিলেন, এত বছর পর তিনি কি তাদের চিনতে পারবেন। ঠিক সেই সময় দূর থেকে ভেসে আসে প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠ : ‘তুই নূর না?’ পরে মুহূর্তেই আনুষ্ঠানিকতার আবহ ভেঙে যায়। নূরুল আমিনসহ ‘নূর’ অন্যরা এগিয়ে আসেন। চোখে আনন্দ
ঘড়ির কাঁটা তখন ১০টা ১০ মিনিট। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল, সরকারি ছুটির দিন। দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম কর্মদিবস। কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মো. তারেক এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে নিয়ম অনুযায়ী বৃক্ষরোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর অফিসের দিকে যাওয়ার সময় দূরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন কর্মচারীর দিকে তার নজর যায়।
তাদের মধ্যে কেউ অফিস সহকারী, কেউ মালি, কেউ ড্রাইভার। একসময় তারা ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময়কার কর্মচারী। নিরাপত্তা ও প্রটোকলের কারণে তারা দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ভাবছিলেন, এত বছর পর তিনি কি তাদের চিনতে পারবেন।
ঠিক সেই সময় দূর থেকে ভেসে আসে প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠ : ‘তুই নূর না?’
পরে মুহূর্তেই আনুষ্ঠানিকতার আবহ ভেঙে যায়।
নূরুল আমিনসহ ‘নূর’ অন্যরা এগিয়ে আসেন। চোখে আনন্দ, মুখে বিস্ময়। প্রধানমন্ত্রী হয়েও তারা ভুলে যাননি—সেই মুহূর্তে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নূরুল আমিন বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ড্রাইভার, একসময় তিনি অফিস সহকারী ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ছবি তোলেন।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘ক্ষমতার দূরত্ব পেরিয়ে স্মৃতির এই টানই হয়তো মানুষের প্রতি মানুষের সবচেয়ে বড় সম্মান। দীর্ঘদিন পরও পুরোনো কর্মচারীদের চিনে নেওয়ার ঘটনা উপস্থিত সবার নজর কাড়ে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবেও তিনি প্রথম কর্মদিবসে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।’
What's Your Reaction?