তৃণমূলের পর পরিবর্তন আসছে ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোতেও
সারা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের স্থবিরতা কাটাতে নড়েচড়ে বসেছে ক্রীড়া প্রশাসন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহনের লক্ষ্যে দফায় দফায় বৈঠক করছেন নানা পর্যায়ের অংশীজনদের সাথে। শুনে বুঝে সিদ্ধান্তও নিচ্ছেন। প্রথম দফায় এক ঘোষনাতেই বাতিল করেছেন বিগত অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় করা বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটিগুলো। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) এই নিদের্শনায় নতুন রুপরেখায় ৭ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করে ৩০ মার্চের মধ্যে ‘বিশেষ বাহক মারফত’ প্রেরণের কমিটি প্রধানদের সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। দৈনন্দিন কাজ ব্যতিত এই কমিটিগুলো মূল দায়িত্ব হবে আগামী তিন মাসের মধ্যে স্ব স্ব সংস্থায় নির্বাচন সম্পন্ন করা। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোতেও এই প্রক্রিয়া শুরু সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রীড়া প্রশাসন। ঈদের ছুটির পর বর্তমানের এডহক কমিটিগুলোর ভবিষ্যত নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রাথমিক আলোচনায় ফেডারেশনের এডহক কমিটিগুলোতে কিছু সংযোজন-বিয়োজন করে নির্বাচন আয়োজন সক্রিয় করে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই সাথে নিস্ক্রয় ফেডারেশনের কমিটিগুলোতে ব্যপক রদবদলে
সারা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের স্থবিরতা কাটাতে নড়েচড়ে বসেছে ক্রীড়া প্রশাসন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহনের লক্ষ্যে দফায় দফায় বৈঠক করছেন নানা পর্যায়ের অংশীজনদের সাথে। শুনে বুঝে সিদ্ধান্তও নিচ্ছেন। প্রথম দফায় এক ঘোষনাতেই বাতিল করেছেন বিগত অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় করা বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটিগুলো।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) এই নিদের্শনায় নতুন রুপরেখায় ৭ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করে ৩০ মার্চের মধ্যে ‘বিশেষ বাহক মারফত’ প্রেরণের কমিটি প্রধানদের সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। দৈনন্দিন কাজ ব্যতিত এই কমিটিগুলো মূল দায়িত্ব হবে আগামী তিন মাসের মধ্যে স্ব স্ব সংস্থায় নির্বাচন সম্পন্ন করা। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোতেও এই প্রক্রিয়া শুরু সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রীড়া প্রশাসন। ঈদের ছুটির পর বর্তমানের এডহক কমিটিগুলোর ভবিষ্যত নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রাথমিক আলোচনায় ফেডারেশনের এডহক কমিটিগুলোতে কিছু সংযোজন-বিয়োজন করে নির্বাচন আয়োজন সক্রিয় করে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই সাথে নিস্ক্রয় ফেডারেশনের কমিটিগুলোতে ব্যপক রদবদলের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে ক্রীড়া প্রশাসনের। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার মতো ফেডারশনগুলোর জন্যও বেধে দেওয়া হবে নির্বাচন আয়োজনের সময়সীমা। সরকারী এসব উদ্যোগের ফলে ধারনা করা যাচ্ছে আগামী জুলাই আগস্টের মাঝে নতুন নেতৃত্ব দিয়ে পরিচালিত হবে দেশের ক্রীড়াঙ্গন।
উপজেলা থেকে শুরু করে জেলা বিভাগ হয়ে ফেডারেশগুলোতে নতুন নেতৃত্ব আনতে ক্রীড়া প্রশাসন বর্তমান জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ও জেলা-বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার গঠনতন্ত্র মেনে অগ্রসর হচ্ছেন। ফলে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নতুন এডহক কমিটির সদস্যেদের আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহনে বাধ্যবাধকতা থাকলেও ফেডারেশনগুলোর এডহক কমিটির সদস্যদের ক্ষেত্রে তেমনটি থাকছে না।
এরআগে তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গণ সচল , নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থায় ৭ সদস্যের নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশনা দিয়ে এরই মধ্যে এনএসসির নির্বাহী পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. দৌলতুজ্জামান খান স্বাক্ষরিত পত্রে, কমিটি গঠন বিষয়ে আগে জারি করা সব নির্দেশনাও বাতিল করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় উপজেলা পর্যায়ে সাত সদস্যের কমিটির সভাপতি হবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)। সদস্য থাকবেন থানার অফিসার ইনচার্জ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং একজন স্থানীয় ক্রীড়াবিদ। সদস্য সচিব হবেন স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক বা ক্রীড়াবিদ। জেলা পর্যায়ে কমিটির সভাপতি হবেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)।
কমিটিতে পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), শাসক (ডিসি জেলা সমাজসেবা অফিসের উপপরিচালক, জেলা ক্রীড়া অফিসার এবং একজন স্থানীয় ক্রীড়াবিদ সদস্য হিসাবে থাকবেন। বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারকে সভাপতি করে কমিটি গঠন করা হবে। এনএসসির পত্রটিতে কমিটি গঠনের জন্য উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ৭ দিনের মধ্যে নতুন অ্যাডহক কমিটির প্রস্তাব জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কমিটির প্রস্তাব ১০ দিনের মধ্যে বিশেষ বাহক মারফত সরাসরি এনএসসিতে পাঠাতে হবে।
What's Your Reaction?