তেলবাজার নিয়ে নতুন সতর্কতা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে সাম্প্রতিক বিমান হামলার প্রভাবে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক তেল রপ্তানি দৈনিক ৩৭ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)। খবর শাফাক নিউজ এজেন্সির। শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে, যা তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। আইইএর তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে বিশ্বে দৈনিক তেল সরবরাহ ৪১ লাখ ব্যারেল বেড়েছে। তবে তা এখনো যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় কম রয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, চলতি বছরে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে দৈনিক প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেলের ঘাটতি থাকতে পারে। একই সঙ্গে বিশ্বে তেলের চাহিদাও দৈনিক প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল কমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে ২০২৭ সালে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৭৫ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে মনে করছে আইইএ। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। তাই এই পথের নিরাপত্তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত মঙ্গলবার গ

তেলবাজার নিয়ে নতুন সতর্কতা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে সাম্প্রতিক বিমান হামলার প্রভাবে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক তেল রপ্তানি দৈনিক ৩৭ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)। খবর শাফাক নিউজ এজেন্সির।

শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে, যা তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

আইইএর তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে বিশ্বে দৈনিক তেল সরবরাহ ৪১ লাখ ব্যারেল বেড়েছে। তবে তা এখনো যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় কম রয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, চলতি বছরে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে দৈনিক প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেলের ঘাটতি থাকতে পারে। একই সঙ্গে বিশ্বে তেলের চাহিদাও দৈনিক প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল কমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে ২০২৭ সালে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৭৫ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে মনে করছে আইইএ।

বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। তাই এই পথের নিরাপত্তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গত মঙ্গলবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কয়েকটি কৌশলগত স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow