তেল নিতেই ঘণ্টা পার, আয় কমেছে রাইড শেয়ার চালকদের

রাজধানীর উত্তরখানের বাসিন্দা আহাদ আলী। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে তিনজনের সংসার। মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারের অর্থ দিয়েই চলে সংসার। গত কয়েকদিনে জ্বালানি খাতের অস্থিরতায় ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে তেল নিতে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে বিভিন্ন যানের চালকদের। এতে দিনের একটা বড় সময় চলে যাচ্ছে তেল সংগ্রহেই। আগের মতো বেশি ট্রিপ দিতে পারছেন না। এতে আগের তুলনায় আয় অনেক কমেছে আহাদের। আহাদ জাগো নিউজকে বলেন, দুপুর থেকে ৬টার বেশি পাম্প ঘুরে তেল নিয়েছি। দিনের ৩ ঘণ্টার বেশি সময় চলে গেলো তেল নিতেই। বেশি ট্রিপ দেওয়া যাচ্ছে না। আয় কমে গেছে। ঈদ সামনে রেখে বাড়তি আয়ের আশা ছিল, সেটা আর হলো না। শুধু আহাদ আলী নন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল ও অকটেন বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করায় বিপাকে পড়েছেন রাইড শেয়ারের চালকরা। মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল না দেওয়ায় সারাদিন কাজ করতে গিয়ে ভোগান্তির মুখে পড়ছেন তারা। সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর বেশ কয়েকজন রাইড শেয়ার চালকের সঙ্গে কথা বলে তাদের হতাশার কথা জানা গেছে। রাইড শেয়ার চালকরা বলছেন, সারাদিন যাত্রী পরিবহন করতে গেলে কয়েকবার তেল নিতে হয়। কিন্তু পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে সীমিত প

তেল নিতেই ঘণ্টা পার, আয় কমেছে রাইড শেয়ার চালকদের

রাজধানীর উত্তরখানের বাসিন্দা আহাদ আলী। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে তিনজনের সংসার। মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারের অর্থ দিয়েই চলে সংসার। গত কয়েকদিনে জ্বালানি খাতের অস্থিরতায় ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে তেল নিতে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে বিভিন্ন যানের চালকদের। এতে দিনের একটা বড় সময় চলে যাচ্ছে তেল সংগ্রহেই। আগের মতো বেশি ট্রিপ দিতে পারছেন না। এতে আগের তুলনায় আয় অনেক কমেছে আহাদের।

আহাদ জাগো নিউজকে বলেন, দুপুর থেকে ৬টার বেশি পাম্প ঘুরে তেল নিয়েছি। দিনের ৩ ঘণ্টার বেশি সময় চলে গেলো তেল নিতেই। বেশি ট্রিপ দেওয়া যাচ্ছে না। আয় কমে গেছে। ঈদ সামনে রেখে বাড়তি আয়ের আশা ছিল, সেটা আর হলো না।

শুধু আহাদ আলী নন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল ও অকটেন বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করায় বিপাকে পড়েছেন রাইড শেয়ারের চালকরা। মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল না দেওয়ায় সারাদিন কাজ করতে গিয়ে ভোগান্তির মুখে পড়ছেন তারা।

সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর বেশ কয়েকজন রাইড শেয়ার চালকের সঙ্গে কথা বলে তাদের হতাশার কথা জানা গেছে।

রাইড শেয়ার চালকরা বলছেন, সারাদিন যাত্রী পরিবহন করতে গেলে কয়েকবার তেল নিতে হয়। কিন্তু পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে সীমিত পরিমাণ তেল পাওয়ায় সময় ও আয়—দুটোই কমে যাচ্ছে। অনেক সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

রাইড শেয়ারচালক আমিনুল বলেন, আয় কমেছে। আগের মতো ট্রিপ মারতে পারি না। তেল নিতেই তো সময় চলে যায়।

আরেক চালক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমি মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ার করেই আয় করি। অন্য কোনো চাকরি নেই। গত কয়েকদিনে আয় প্রায় অর্ধেক৷ এ অবস্থা চললে ঢাকায় টিকে থাকা কষ্ট হয়ে যাবে। বাড়ি চলে যেতে হবে। আয় না থাকলে ঢাকায় থাকবো কীভাবে!’

সুমন নামের আরেক চালক বলেন, একবার তেল নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে। তারপর আবার চাহিদামতো তেল পাচ্ছি না। এভাবে তো চলা যায় না।

এনএস/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow