‘তোর পাপ তোরে ছাড়বে না, সাত টুকরো হবি’
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আবদুর রহমান নামের এক কৃষককে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকির ঘটনা ঘটেছে। ডাক পিয়নের মাধ্যমে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাওয়ার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গেছে, হুমকি পাঠানো হয়েছে জুলাস বেপারি নামে। তবে খামে দেওয়া ওই ঠিকানায় ব্যক্তির কোনো অস্তিত্ব নেই। ভুক্তভোগী কৃষক আবদুর রহমান (৫৬) পৌর এলাকার চন্ডিপুর মোল্লা কোনার মোকতল হোসেনের ছেলে। মঙ্গলবার (৫ মে) পৌরসভার চন্ডিপুর মোল্লা কোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার (৬ মে) থানায় দায়ের করা জিডিতে উল্লেখ করা হয়, আবদুর রহমান একজন কৃষক। তার দুই ছেলে প্রবাসে থাকে। তিনি, তার স্ত্রী ও ছোট মেয়ে নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তার সঙ্গে কারো কোনো শত্রুতা নেই। মঙ্গলবার সকালে চৌদ্দগ্রাম ডাক অফিসে পিয়নের মাধ্যমে একটি খাকি খাম ও একটি পার্সেল রিসিভ করেছেন। পরে খাম খুলে দেখেন সাদা কাগজে লেখা- ‘তোর কাফনের কাপড় রেডি, তুই ঘরে, রাস্তা ঘাটে, বাজারে বা মামলার কোর্টে মরার জন্য রেডি থাকিস, তুই এখন গ্যাংদের টার্গেট। তোর পাপ তোরে ছাড়বে না, সাত টুকরো হবি’। পার্সেলটি খুলে দেখেন, কাফনের কাড়ের টুকরো। খামটির প্রেরক পার্শ্ববর্তী রামরায় গ্রামের কসাই বাড়ির জুলাস বেপারী
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আবদুর রহমান নামের এক কৃষককে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকির ঘটনা ঘটেছে। ডাক পিয়নের মাধ্যমে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাওয়ার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, হুমকি পাঠানো হয়েছে জুলাস বেপারি নামে। তবে খামে দেওয়া ওই ঠিকানায় ব্যক্তির কোনো অস্তিত্ব নেই।
ভুক্তভোগী কৃষক আবদুর রহমান (৫৬) পৌর এলাকার চন্ডিপুর মোল্লা কোনার মোকতল হোসেনের ছেলে। মঙ্গলবার (৫ মে) পৌরসভার চন্ডিপুর মোল্লা কোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৬ মে) থানায় দায়ের করা জিডিতে উল্লেখ করা হয়, আবদুর রহমান একজন কৃষক। তার দুই ছেলে প্রবাসে থাকে। তিনি, তার স্ত্রী ও ছোট মেয়ে নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তার সঙ্গে কারো কোনো শত্রুতা নেই। মঙ্গলবার সকালে চৌদ্দগ্রাম ডাক অফিসে পিয়নের মাধ্যমে একটি খাকি খাম ও একটি পার্সেল রিসিভ করেছেন।
পরে খাম খুলে দেখেন সাদা কাগজে লেখা- ‘তোর কাফনের কাপড় রেডি, তুই ঘরে, রাস্তা ঘাটে, বাজারে বা মামলার কোর্টে মরার জন্য রেডি থাকিস, তুই এখন গ্যাংদের টার্গেট। তোর পাপ তোরে ছাড়বে না, সাত টুকরো হবি’।
পার্সেলটি খুলে দেখেন, কাফনের কাড়ের টুকরো। খামটির প্রেরক পার্শ্ববর্তী রামরায় গ্রামের কসাই বাড়ির জুলাস বেপারী। কিন্তু আবদুর রহমান পরিবারের লোকজনসহ ওই এলাকায় গিয়ে এ নামের কোনো অস্তিত্ব পাননি। খামে উল্লেখিত মোবাইল নম্বরে কল করলেও কেউ রিসিভ করছে না। ফলে তিনি জীবন ও মালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। হুমকিদাতার পরিচয় ভুয়া। ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটিও ময়মনসিংহের এক ব্যক্তির। তবে কৃষককে ভয় দেখানোর জন্য কেউ এ কাজটি করেছে’।
What's Your Reaction?