ত্রিশালে ইউএনওর বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিক্ষোভ
ময়মনসিংহের ত্রিশালে উপজেলা পরিষদ পুকুরসংলগ্ন আহাম্মদ সরকার সড়ক বন্ধের উদ্যোগের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় সড়কসংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রায় অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এলাকাবাসী সড়কটি ব্যবহার করে আসছেন। সড়কটি বন্ধ করে দেওয়া হলে আশপাশের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটবে। পাশাপাশি দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, মসজিদে যাতায়াতকারী মুসল্লি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দা আনিছুর রহমান বলেন, এটি দীর্ঘদিনের জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা। একতরফাভাবে রাস্তা বন্ধের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজন হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। সমাবেশে ফারুক আহমেদ, আবু রায়হান ও জাবাদুল হক খান অভিযোগ করেন, উপজেলা পরিষদ পুকুরকে কেন্দ্র করে একের পর এক প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের দাবি, পুকুর খননের কারণে সড়কট
ময়মনসিংহের ত্রিশালে উপজেলা পরিষদ পুকুরসংলগ্ন আহাম্মদ সরকার সড়ক বন্ধের উদ্যোগের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় সড়কসংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রায় অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এলাকাবাসী সড়কটি ব্যবহার করে আসছেন। সড়কটি বন্ধ করে দেওয়া হলে আশপাশের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটবে। পাশাপাশি দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, মসজিদে যাতায়াতকারী মুসল্লি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আনিছুর রহমান বলেন, এটি দীর্ঘদিনের জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা। একতরফাভাবে রাস্তা বন্ধের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজন হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে ফারুক আহমেদ, আবু রায়হান ও জাবাদুল হক খান অভিযোগ করেন, উপজেলা পরিষদ পুকুরকে কেন্দ্র করে একের পর এক প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।
তাদের দাবি, পুকুর খননের কারণে সড়কটি হেলে পড়েছে এবং নতুন নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি অর্থ অপচয় করা হচ্ছে। তারা এসব প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
মাহফুজুর রহমান কবীর বলেন, স্থানীয় মানুষের দেওয়া জমির ওপর সড়কটি নির্মিত হয়েছে। যদি এ ধরনের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে উন্নয়নমূলক কাজে জনগণ জমি দিতে নিরুৎসাহিত হবে।
অন্যদিকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন সরকার অভিযোগ করেন, রাস্তা বন্ধ করে নতুন রাস্তা নির্মাণের নামে সরকারি অর্থ অপচয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সড়কটির চলাচল ব্যবস্থায় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আবাসিক এলাকায় ভারী ও দ্রুতগতির যানবাহন চলাচলের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ ও ইউএনওর সরকারি বাসভবনের নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
হোসাইন সুলভ/এনএইচআর
What's Your Reaction?