থানায় তদবির করতে গিয়ে গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে একটি সংঘর্ষের মামলার প্রধান আসামি হয়েও দাপট দেখিয়ে থানায় তদবির করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন মো. আব্দুর রাজ্জাক নামে এক বিএনপি নেতা। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে তাড়াশ থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার তালম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং গাবরগাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গাবরগাড়ি জামে মসজিদের একটি পুকুর দখল নিয়ে মসজিদ কমিটির সঙ্গে ইউনিয়ন তাঁতীদলের সভাপতি মো. এনামুল হক ও বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল গত ১৭ এপ্রিল এনামুল ও রাজ্জাকের নেতৃত্বে একদল লোক জোরপূর্বক ওই পুকুর থেকে প্রায় ৮-১০ লাখ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়। এর প্রতিবাদে গত ১৮ এপ্রিল গ্রামবাসী ও মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, আব্দুর রাজ্জাক ও তার লোকজন ওই মানববন্ধনে বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে। এতে নারীসহ অন্তত ১৮ জন গুরুতর আহত হন। উক্ত সংঘর্ষের ঘটনায় মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে মো. তো

থানায় তদবির করতে গিয়ে গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে একটি সংঘর্ষের মামলার প্রধান আসামি হয়েও দাপট দেখিয়ে থানায় তদবির করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন মো. আব্দুর রাজ্জাক নামে এক বিএনপি নেতা। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে তাড়াশ থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার তালম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং গাবরগাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গাবরগাড়ি জামে মসজিদের একটি পুকুর দখল নিয়ে মসজিদ কমিটির সঙ্গে ইউনিয়ন তাঁতীদলের সভাপতি মো. এনামুল হক ও বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল গত ১৭ এপ্রিল এনামুল ও রাজ্জাকের নেতৃত্বে একদল লোক জোরপূর্বক ওই পুকুর থেকে প্রায় ৮-১০ লাখ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়। এর প্রতিবাদে গত ১৮ এপ্রিল গ্রামবাসী ও মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, আব্দুর রাজ্জাক ও তার লোকজন ওই মানববন্ধনে বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে। এতে নারীসহ অন্তত ১৮ জন গুরুতর আহত হন। উক্ত সংঘর্ষের ঘটনায় মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে মো. তোজ্জামেল হোসেন বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে আব্দুর রাজ্জাককে প্রধান আসামি করা হয়। মামলার প্রধান আসামি হওয়া সত্ত্বেও সোমবার রাতে রাজ্জাক অন্য একটি বিষয়ে তদবির করতে থানায় যান। পুলিশ তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরপরই তাকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করে। তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, ‘আব্দুর রাজ্জাক একটি সংঘর্ষের মামলার এক নম্বর আসামি। তিনি থানায় আসার পর বিষয়টি নজরে আসায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow