দক্ষিণ আফ্রিকায় গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, শিশু গুলিবিদ্ধ

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মো. ইয়াছিন (৪০) নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার পাঁচ বছর বয়সি মেয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার পোর্ট এলিজাবেথ শহরে নিজ বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. ইয়াছিন নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চনপুর গ্রামের মো. সুজায়েত উল্যার ছেলে। নিহতের ভাই মো. নাসির বুধবার রাতে বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, প্রাইভেটকারে করে মেয়ে ফারহানাকে নিয়ে নিয়ে বাসার গেটে পৌঁছলে পূর্ব থেকে ওঁত পেতে থাকা অস্ত্রধারীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এসময় গাড়িতে থাকা বাবা-মেয়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে ইয়াছিনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, ইয়াছিন দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করে আসছেন। সেখানে তার নিজস্ব বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গত এক বছর আগে তিনি তার পরিবারকেও দক্ষিণ আফ্রিকায় নিয়ে একসঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন। সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, প্রব

দক্ষিণ আফ্রিকায় গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, শিশু গুলিবিদ্ধ

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মো. ইয়াছিন (৪০) নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার পাঁচ বছর বয়সি মেয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার পোর্ট এলিজাবেথ শহরে নিজ বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. ইয়াছিন নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চনপুর গ্রামের মো. সুজায়েত উল্যার ছেলে।

নিহতের ভাই মো. নাসির বুধবার রাতে বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, শিশু গুলিবিদ্ধ

তিনি বলেন, প্রাইভেটকারে করে মেয়ে ফারহানাকে নিয়ে নিয়ে বাসার গেটে পৌঁছলে পূর্ব থেকে ওঁত পেতে থাকা অস্ত্রধারীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এসময় গাড়িতে থাকা বাবা-মেয়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে ইয়াছিনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, ইয়াছিন দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করে আসছেন। সেখানে তার নিজস্ব বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গত এক বছর আগে তিনি তার পরিবারকেও দক্ষিণ আফ্রিকায় নিয়ে একসঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি। আমাদের কাছে পরিবারটি কোনো সহযোগিতা চাইলে তা দেওয়া হবে।

ইকবাল হোসেন মজনু/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow