দর্শনা প্রেসক্লাবে মাদক কারবারিদের হামলা, সাংবাদিক আহত

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা প্রেসক্লাবে হামলা চালিয়েছে মাদক কারবারিদের একটি বেপরোয়া সংঘবদ্ধ চক্র। এসময় প্রেসক্লাবের ভেতরে ঢুকে সাংবাদিককে মারধর ও মোবাইল ফোন ভাঙচুর করে তারা। হামলাকারীরা লাইট বন্ধ করে পরিকল্পিতভাবে ভেতরে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার (২৫ এপ্রিল) দর্শনা প্রেসক্লাবে এক জরুরি সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আওয়াল হোসেন। বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুল, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন, সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান ধীরু, সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতারা। এর আগে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রেসক্লাব সূত্রে জানা গেছে, রাত ১১টার দিকে আজিমপুর গ্রামের কয়েকজন চিহ্নিত মাদক কারবারি মদ্যপ অবস্থায় দর্শনা প্রেসক্লাবের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে চরম অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এসময় প্রেসক্লাবের অফিস সহকারী আব্বাস আলী বিষয়টি দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হান্নানকে জানালে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ করেন। কিন্তু প্রতিবাদ করতে

দর্শনা প্রেসক্লাবে মাদক কারবারিদের হামলা, সাংবাদিক আহত

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা প্রেসক্লাবে হামলা চালিয়েছে মাদক কারবারিদের একটি বেপরোয়া সংঘবদ্ধ চক্র। এসময় প্রেসক্লাবের ভেতরে ঢুকে সাংবাদিককে মারধর ও মোবাইল ফোন ভাঙচুর করে তারা। হামলাকারীরা লাইট বন্ধ করে পরিকল্পিতভাবে ভেতরে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার (২৫ এপ্রিল) দর্শনা প্রেসক্লাবে এক জরুরি সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আওয়াল হোসেন। বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুল, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন, সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান ধীরু, সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতারা।

এর আগে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রেসক্লাব সূত্রে জানা গেছে, রাত ১১টার দিকে আজিমপুর গ্রামের কয়েকজন চিহ্নিত মাদক কারবারি মদ্যপ অবস্থায় দর্শনা প্রেসক্লাবের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে চরম অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

এসময় প্রেসক্লাবের অফিস সহকারী আব্বাস আলী বিষয়টি দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হান্নানকে জানালে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ করেন। কিন্তু প্রতিবাদ করতেই মাদকাসক্ত একজন ক্ষিপ্ত হয়ে হান্নানের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং তার মাথায় আঘাত করে। পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিলে হান্নান প্রাণ বাঁচাতে প্রেসক্লাবের ভেতরে আশ্রয় নেন।

কিন্তু সেখানেও শেষ রক্ষা হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই ব্যক্তির নেতৃত্বে আরও ১০-১২ জনের একটি দল জোরপূর্বক প্রেসক্লাবের ভেতরে প্রবেশ করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসানসহ পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত হন। পুলিশ সাংবাদিকদের লিখিত অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দিয়েছে এবং জানিয়েছে, অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার জরুরি সভায় বক্তারা ক্ষোভে বলেন, মাদক কারবারিদের এভাবে তাণ্ডব চালানো সরাসরি গণমাধ্যমকে ভয়ভীতি দেখানোর শামিল। এটি নিছক ঘটনা নয়, বরং সুপরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা। এর পেছনে আরও বড় কোনো চক্র সক্রিয় থাকতে পারে।

এ বিষয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আওয়াল হোসেন বলেন, দর্শনা প্রেসক্লাবে এই পরিকল্পিত হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি শুধু একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা নয় এটি পুরো গণমাধ্যম ও সত্যের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা।

হুসাইন মালিক/এমআইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow