দলিল লেখকের বাড়িতে মিলল ১১ চোরাই গরু
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারীকে আটক করা হলেও পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। গত সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রতনপুর গ্রামের দলিল লেখক রিংকু রায়ের বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশির সময় বাড়ি থেকে ১১টি গরু উদ্ধার করা হয়। পরে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া একটি গরু চুরির মামলার সূত্র ধরে দুই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই দুই নারীকে মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ১১টি গরু মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে এবং প্রকৃত মালিকদের শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। গরু চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চুরির গরু উদ্ধারের বিষয় নিয়ে রিংকু রায়ের সঙ্গে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারীকে আটক করা হলেও পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
গত সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রতনপুর গ্রামের দলিল লেখক রিংকু রায়ের বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশির সময় বাড়ি থেকে ১১টি গরু উদ্ধার করা হয়। পরে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া একটি গরু চুরির মামলার সূত্র ধরে দুই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই দুই নারীকে মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ১১টি গরু মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে এবং প্রকৃত মালিকদের শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। গরু চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
চুরির গরু উদ্ধারের বিষয় নিয়ে রিংকু রায়ের সঙ্গে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
মিরাশি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মানিক সরকার বলেন, আমি জানতে পেরেছি, ১১টি চোরাই গরু রিংকু রায়ের বাড়িতে পাওয়া গেছে। তদন্ত করে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গরু চুরির সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?