দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি নাগরিক

সম্প্রতি নয়াদিল্লির এক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়  ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশি নাগরিক মো. নুরুল আমিন (৪৪)। এ ঘটনায় অন্তত ২২ জন বিদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে নয়া দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।  সূত্র বলছে, নিহত মো. নুরুল আমিনসহ দুটি বাংলাদেশি পরিবার ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। তারা সবাই নয়াদিল্লির কাছাকাছি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। আগুন লাগার সময় তারা হোটেলেই ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন বাংলাদেশি আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাংলাদেশ হাইকমিশন, নয়াদিল্লি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। হাইকমিশনের কর্মকর্তারা আহত বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিচ্ছেন।  এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে নয়া দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি সব বাংলাদেশি রোগীদের দেখতে যান এবং তাদের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি নাগরিক

সম্প্রতি নয়াদিল্লির এক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়  ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশি নাগরিক মো. নুরুল আমিন (৪৪)। এ ঘটনায় অন্তত ২২ জন বিদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে নয়া দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে। 

সূত্র বলছে, নিহত মো. নুরুল আমিনসহ দুটি বাংলাদেশি পরিবার ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। তারা সবাই নয়াদিল্লির কাছাকাছি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। আগুন লাগার সময় তারা হোটেলেই ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন বাংলাদেশি আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশন, নয়াদিল্লি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। হাইকমিশনের কর্মকর্তারা আহত বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিচ্ছেন। 

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে নয়া দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি সব বাংলাদেশি রোগীদের দেখতে যান এবং তাদের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা অবস্থান করছেন যাতে কোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া যায়।

নয়া দিল্লির সূত্র জানিয়েছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও হাইকমিশন নিবিড় যোগাযোগ রাখছে যেন আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত হয়।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ও নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow