দুই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মেহেরপুরের পৃথক দুই উপজেলায় পরকীয়া সন্দেহ ও পারিবারিক কলহের জেরে দুই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১০ মে) সকালে গাংনী উপজেলার গজাড়িয়া হেমায়েতপুর গ্রামের আনসার সদস্য ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী সুইটি খাতুন (২৭) নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। গাংনী হেমায়েতপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ অতুল জানান, স্বামী ইসমাইল হোসেন বর্তমানে চট্টগ্রামে কর্মরত। স্ত্রীর চলাফেরা নিয়ে সন্দেহের কারণে পারিবারিকভাবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চাপ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব কারণেই সুইটি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। অন্যদিকে একই দিনে মুজিবনগর উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামে সোহেল বিশ্বাসের স্ত্রী উর্মি খাতুন (২২) নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শাশুড়ির অসুস্থতা নিয়ে পরিবারের সদস্যরা ব্যস্ত থাক

দুই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মেহেরপুরের পৃথক দুই উপজেলায় পরকীয়া সন্দেহ ও পারিবারিক কলহের জেরে দুই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১০ মে) সকালে গাংনী উপজেলার গজাড়িয়া হেমায়েতপুর গ্রামের আনসার সদস্য ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী সুইটি খাতুন (২৭) নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। গাংনী হেমায়েতপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ অতুল জানান, স্বামী ইসমাইল হোসেন বর্তমানে চট্টগ্রামে কর্মরত। স্ত্রীর চলাফেরা নিয়ে সন্দেহের কারণে পারিবারিকভাবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চাপ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব কারণেই সুইটি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। অন্যদিকে একই দিনে মুজিবনগর উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামে সোহেল বিশ্বাসের স্ত্রী উর্মি খাতুন (২২) নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শাশুড়ির অসুস্থতা নিয়ে পরিবারের সদস্যরা ব্যস্ত থাকাকালে উর্মি নিজ কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘরের পেছনের দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। উর্মির বাবা ভাসান আলী অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার ছাগলকে ভুট্টা খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে উর্মির সঙ্গে তার স্বামী সোহেল বিশ্বাসের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সোহেল তাকে মারধর করেন। ঘটনার পর থেকেই সোহেল পলাতক রয়েছেন। এ বিষয়ে মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গৌতম কুমার এবং গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, উভয় ঘটনায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাগুলোর তদন্ত চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow