দুই দফা অ্যাম্বুলেন্স আটক, রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
শরীয়তপুরে ঢাকাগামী একটি রোগীবহনকারী অ্যাম্বুলেন্স দুই দফা আটকে রাখায় অসুস্থ অবস্থায় জমশেদ আলী ঢালী নামে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সুমন খান নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে পালং মডেল থানায় নিহতের নাতি জোবায়ের হোসেন রোমান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
আসামিরা হলেন—সদর উপজেলার কাচারি কান্দি এলাকার সুলতান খানের ছেলে সুমন খান, চন্দ্রপুর এলাকার সজীব, চিকন্দী এলাকার হান্নান এবং নড়িয়া উপজেলার পারভেজ।
রোগীর স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ডামুড্যা উপজেলার কুতুবপুর এলাকার বাসিন্দা জমশেদ আলী ঢালীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
এরপর স্বজনরা ঢাকায় নেওয়ার জন্য একটি স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স সাড়ে ছয় হাজার টাকায় ভাড়া করেন। তবে রোগী উঠানোর পর চালক অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করলে তারা বিকল্প হিসেবে পাঁচ হাজার টাকায় আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে ঢাকার উ
শরীয়তপুরে ঢাকাগামী একটি রোগীবহনকারী অ্যাম্বুলেন্স দুই দফা আটকে রাখায় অসুস্থ অবস্থায় জমশেদ আলী ঢালী নামে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সুমন খান নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে পালং মডেল থানায় নিহতের নাতি জোবায়ের হোসেন রোমান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
আসামিরা হলেন—সদর উপজেলার কাচারি কান্দি এলাকার সুলতান খানের ছেলে সুমন খান, চন্দ্রপুর এলাকার সজীব, চিকন্দী এলাকার হান্নান এবং নড়িয়া উপজেলার পারভেজ।
রোগীর স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ডামুড্যা উপজেলার কুতুবপুর এলাকার বাসিন্দা জমশেদ আলী ঢালীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
এরপর স্বজনরা ঢাকায় নেওয়ার জন্য একটি স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স সাড়ে ছয় হাজার টাকায় ভাড়া করেন। তবে রোগী উঠানোর পর চালক অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করলে তারা বিকল্প হিসেবে পাঁচ হাজার টাকায় আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
পথিমধ্যে সদর উপজেলার কোটাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স মালিক সিন্ডিকেটের সদস্য সুমন খান ও তার সহযোগীরা অ্যাম্বুলেন্সটির গতিরোধ করেন। এ সময় প্রায় ৩০ মিনিট বাকবিতণ্ডা চলে। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
এরপর জামতলা এলাকায় পৌঁছালে আবারও একই চক্র অ্যাম্বুলেন্সটি আটকে রোগী ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। প্রায় ৪০ মিনিট পর স্থানীয়দের সহায়তায় গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হলেও ঢাকায় নেওয়ার পথেই রোগীর মৃত্যু হয়। পরে রাত ৩টার দিকে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে নিহতের নাতি জোবায়ের হোসেন রোমান পালং মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে বুধবার রাতেই মামলার প্রধান আসামি সুমন খানকে শহরের কোর্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখার কারণে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।