দুই দশক পর একসঙ্গে হাবিব-কায়া, আছেন মুজাও

শূন্য দশকে সংগীতপ্রেমীদের নতুনের স্বাদ দিয়েছিল ফোক ফিউশনধর্মী জনপ্রিয় দুই অ্যালবাম ‘কৃষ্ণ’ ও ‘মায়া’। যেখানে সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও কায়ার যুগলবন্দি শ্রোতাদের মন জয় করেছিল। সেই অভাবনীয় সাফল্যের দুই দশক পর আবারও একসঙ্গে হাজির হচ্ছেন সংগীতের এই যুগল। আর তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ‘নয়া দা মান’খ্যাত সংগীতশিল্পী মুজা। গানটির শিরোনাম ‘কই রইলা রে’। ঈদুল আজহা উপলক্ষে এটি প্রকাশ পাবে হাবিবের নিজের ইউটিউব চ্যানেলে। জানা যায়, ‘কই রইলা রে’ গানটির মূল রেকর্ডিং হয়েছিল ২০০৯ সালে। কায়াকে নিয়ে কাজটি শুরু করেছিলেন হাবিব। তখন মুজার বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর। এ প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, ‘তখন ভাবিনি ভবিষ্যতে কখনো এটি নতুনভাবে প্রকাশের সুযোগ আসবে। এত বছর ধরে গানটি বিভিন্ন হার্ড ড্রাইভে সংরক্ষিত ছিল।’ হাবিব জানান, ‘কই রইলা রে’ গানের মূল গীতিকার ও সুরকার সৈয়দ দুলাল। বর্তমানে তিনি ইংল্যান্ডে থাকেন। কায়ার মাধ্যমে গানটির সঙ্গে পরিচয় হয় হাবিবের। তিনি বলেন, ‘কায়া ভাই আমাকে গানটা শুনিয়েছিলেন। শুনেই ভালো লাগে। পরে জানতে চাই, এটি কার গান। তখন জানতে পারি, সৈয়দ দুলাল এখনও জীবিত আছেন এবং ইংল্যান্ডে থাকেন। তার অনেক গান প্রকাশিত হয়ে

দুই দশক পর একসঙ্গে হাবিব-কায়া, আছেন মুজাও

শূন্য দশকে সংগীতপ্রেমীদের নতুনের স্বাদ দিয়েছিল ফোক ফিউশনধর্মী জনপ্রিয় দুই অ্যালবাম ‘কৃষ্ণ’ ও ‘মায়া’। যেখানে সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও কায়ার যুগলবন্দি শ্রোতাদের মন জয় করেছিল। সেই অভাবনীয় সাফল্যের দুই দশক পর আবারও একসঙ্গে হাজির হচ্ছেন সংগীতের এই যুগল। আর তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ‘নয়া দা মান’খ্যাত সংগীতশিল্পী মুজা। গানটির শিরোনাম ‘কই রইলা রে’। ঈদুল আজহা উপলক্ষে এটি প্রকাশ পাবে হাবিবের নিজের ইউটিউব চ্যানেলে।

জানা যায়, ‘কই রইলা রে’ গানটির মূল রেকর্ডিং হয়েছিল ২০০৯ সালে। কায়াকে নিয়ে কাজটি শুরু করেছিলেন হাবিব। তখন মুজার বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর। এ প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, ‘তখন ভাবিনি ভবিষ্যতে কখনো এটি নতুনভাবে প্রকাশের সুযোগ আসবে। এত বছর ধরে গানটি বিভিন্ন হার্ড ড্রাইভে সংরক্ষিত ছিল।’

হাবিব জানান, ‘কই রইলা রে’ গানের মূল গীতিকার ও সুরকার সৈয়দ দুলাল। বর্তমানে তিনি ইংল্যান্ডে থাকেন। কায়ার মাধ্যমে গানটির সঙ্গে পরিচয় হয় হাবিবের। তিনি বলেন, ‘কায়া ভাই আমাকে গানটা শুনিয়েছিলেন। শুনেই ভালো লাগে। পরে জানতে চাই, এটি কার গান। তখন জানতে পারি, সৈয়দ দুলাল এখনও জীবিত আছেন এবং ইংল্যান্ডে থাকেন। তার অনেক গান প্রকাশিত হয়েছে।’

এই গায়ক আরও জানান, মূল লোকগানের সঙ্গে নতুন কিছু লিরিক যোগ করা হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন গীতিকার বাঁধন ও সংগীতশিল্পী মুজা। হাবিবের ভাষায়, ‘এটি এক ধরনের সম্মিলন। মূল ফোক গানের আবহ রেখে কিছু নতুন লিরিক যোগ করা হয়েছে, যা গানটিকে আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
‘সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধু হুমকি’, রহস্যময় স্ট্যাটাসে যা বললেন ন্যানসি 
‘নয়ন ভরা জল’ নজরুলসংগীত গেয়ে ভাইরাল জীর্ণ শাড়ি পরা কে এই লায়লা বাউল 

প্রসঙ্গত, লোকগানের সঙ্গে আধুনিক সংগীতের ফিউশন ঘ রানায় সফল গায়ক হাবিব ওয়াহিদ। ২০০৩ সালে প্রকাশিত তার ‘কৃষ্ণ’ এবং পরবর্তী সময়ে ‘মায়া’ অ্যালবামের গানগুলো এখনও শ্রোতাদের কাছে সমান জনপ্রিয়। ‘আমি কূলহারা কলঙ্কিনী’, ‘কেমনে ভুলিব আমি’ কিংবা ‘কালা’র মতো গান সেসময়ে বাংলা ফোক ফিউশন ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করে

এমআই/এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow