দুই দিন পর পরিচয় মিলল নদ থেকে উদ্ধার মরদেহের

দুই দিন পর পরিচয় মিলেছে খুলনায় ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত মরদেহের। ওই যুবকের নাম রাজীব হোসেন ওরফে ঘাউড়া রাজীব। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতিসহ ১৪টি মামলা ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) সক্রিয় ক্যাডার ছিলেন। রাজীব তিন মাস আগে গোপালগঞ্জ থেকে খুলনায় বসবাস শুরু করেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রাজীবের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এর আগে গত শুক্রবার খুলনার ৬নং ঘাট এলাকার ভৈরব নদের দুটি লাইটার ভেসেলের মাঝখান থেকে রাজীবের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ।  জানা গেছে, নিহত রাজীব নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিল। তার বিরুদ্ধে ১৪ মামলা রয়েছে। এরমধ্যে ৭টি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। আরও ৭টি মামলা চলমান রয়েছে। বর্তমানে তিনি অপরাধমূলক কাজ বাদ দিয়ে দৈনিক শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। গত ৩ জানুয়ারি থেকে রাজীব নিখোঁজ ছিলেন। এক সপ্তাহ পর তার ফুলেফেঁপে ওঠা লাশ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার দিনই তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের। রাজীবের প্রথম স্ত্রী লিয়া খাতুন বলেন, ২০১৬ সালে আমাদের পা

দুই দিন পর পরিচয় মিলল নদ থেকে উদ্ধার মরদেহের

দুই দিন পর পরিচয় মিলেছে খুলনায় ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত মরদেহের। ওই যুবকের নাম রাজীব হোসেন ওরফে ঘাউড়া রাজীব। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতিসহ ১৪টি মামলা ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) সক্রিয় ক্যাডার ছিলেন। রাজীব তিন মাস আগে গোপালগঞ্জ থেকে খুলনায় বসবাস শুরু করেন।

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রাজীবের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

এর আগে গত শুক্রবার খুলনার ৬নং ঘাট এলাকার ভৈরব নদের দুটি লাইটার ভেসেলের মাঝখান থেকে রাজীবের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। 

জানা গেছে, নিহত রাজীব নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিল। তার বিরুদ্ধে ১৪ মামলা রয়েছে। এরমধ্যে ৭টি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। আরও ৭টি মামলা চলমান রয়েছে। বর্তমানে তিনি অপরাধমূলক কাজ বাদ দিয়ে দৈনিক শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।

গত ৩ জানুয়ারি থেকে রাজীব নিখোঁজ ছিলেন। এক সপ্তাহ পর তার ফুলেফেঁপে ওঠা লাশ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার দিনই তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।

রাজীবের প্রথম স্ত্রী লিয়া খাতুন বলেন, ২০১৬ সালে আমাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। ওই সময় তার ডান হাতের রগ কেটে দিয়েছিল সন্ত্রাসীরা। চার বছর আগে আমাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ হয়। শনিবার সকালে তার মৃত্যুর সংবাদ শুনে খুলনায় আসি।

রাজীবের দ্বিতীয় স্ত্রী ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, এক বছর আগে আমাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পরপরই খুলনা থেকে গোপালগঞ্জের মোকছেদপুর রাজীবের মামা বাড়িতে অবস্থান করি। ডিসেম্বর মাসে খুলনার দিঘলিয়ার একটি বাড়িতে ভাড়াটে হিসেবে বসবাস করি। তার সম্পর্কে আগে কিছু না জেনেই আমাদের বিয়ে হয়।

ঘটনার বিবরণ জানিয়ে ইয়াসমিন বলেন, শনিবার রাতে মোবাইলে একটি ফোন আসে। বিকাশ থেকে টাকা তোলার কথা বলে সে বের হয়। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাইনি।

খুলনা নৌ-পুলিশ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আক্তার কালবেলাকে জানান, দুপুরের পর নিহত রাজীবের লাশ তার দুই স্ত্রীর কাছে দেওয়া হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিবারকে বলা হয়েছে। তার মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ওই আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow