দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে বোঝাপড়া জরুরি

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়ে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন করেছে। এই ধারা ধরে রাখতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও আস্থার ভিত্তিতে সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া জরুরি। শনিবার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় গ্যালারি কায়ায় শিল্পী রনজিৎ দাসের একক প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পাওয়ান বঢ়ে বলেন, সীমান্ত সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধিতে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ ফলপ্রসূ হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমেই দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ বাড়লে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   এসময় বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে পাওয়ান বঢ়ে বলেন, এই অগ্রগতিতে ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়। তিনি আশ

দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে বোঝাপড়া জরুরি

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়ে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন করেছে। এই ধারা ধরে রাখতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও আস্থার ভিত্তিতে সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া জরুরি।

শনিবার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় গ্যালারি কায়ায় শিল্পী রনজিৎ দাসের একক প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পাওয়ান বঢ়ে বলেন, সীমান্ত সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধিতে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ ফলপ্রসূ হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমেই দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ বাড়লে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।  

এসময় বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে পাওয়ান বঢ়ে বলেন, এই অগ্রগতিতে ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উভয় দেশের যৌথ উদ্যোগ দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কার্যকর ও টেকসই করতে সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

পাওয়ান বঢ়ে আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক কেবল ভৌগোলিক অবস্থানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের আন্তসম্পর্ক এই বন্ধনকে আরও গভীর করেছে। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, যোগাযোগ এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারে উভয় দেশ কাজ করছে।  
গ্যালারি কায়ার পরিচালক শিল্পী গৌতম চক্রবর্তী বলেন, রনজিৎ দাসের শিল্পকর্ম একটি স্বতন্ত্র অঙ্কনধারা, যেখানে সরল রেখা ও ফাঁকা স্থানকে কাজে লাগিয়ে গভীর অনুভূতি প্রকাশ করা হয়। কখনো একটি তুলির আঁচড়ই বিশাল শূন্যতাকে অর্থবহ করে তোলে।

তিনি বলেন, সমকালীন বাংলাদেশের শিল্পভুবনে রনজিৎ দাস একটি শক্তিশালী উপস্থিতি। শিল্পী রনজিৎ দাস নিজ বক্তব্যে জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ এবং পাহাড়-প্রকৃতির সংস্পর্শ তার কাজকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। এই অভিজ্ঞতাগুলোই তার শিল্পে প্রতিফলিত হচ্ছে।  

উল্লেখ্য, ‘কাঠি ড্রয়িংস অ্যান্ড আদার্স’ শীর্ষক এই প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রদর্শনীতে জলরং, মিশ্রমাধ্যম, কালি ও চারকোলে আঁকা ছবির পাশাপাশি রয়েছে ২৯টি ছবির ‘ফোলিং’ নামক একটি পোর্টফলিও।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow