দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম, একজনের হাত-পা বিচ্ছিন্ন
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে আধিপত্য বিস্তার ও মাদককারবারি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফাযিলখাঁর ডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- ফাজেলখার ডাঙ্গী গ্রামের ধলা মুন্সীর দুই ছেলে হায়দার মুন্সী (৪৬) ও সুজন মুন্সী (৩১)। তারা দুজনেই পেশায় রাজমিস্ত্রি। স্থানীয়রা আহত দুই ভাইকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। হায়দার মুন্সির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করেছেন চিকিৎসকরা। আহতদের মা নিরু খাতুন বলেন, একই গ্রামের ইসলাম মণ্ডলের ছেলে কালাম মণ্ডলের সঙ্গে হায়দারের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। প্রায় তিন বছর আগে একটি মারামারির ঘটনায় হওয়া মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়। সেই বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে দুই ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আহত সুজন মুন্সি মুঠোফোনে জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা প্রথমে তাকে কোপ দেয়। পরে তার ভাই হায়দারকে ধাওয়া করে একটি বাড়ি থেকে বের করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। ফরিদপুর মেডিকে
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে আধিপত্য বিস্তার ও মাদককারবারি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফাযিলখাঁর ডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- ফাজেলখার ডাঙ্গী গ্রামের ধলা মুন্সীর দুই ছেলে হায়দার মুন্সী (৪৬) ও সুজন মুন্সী (৩১)। তারা দুজনেই পেশায় রাজমিস্ত্রি।
স্থানীয়রা আহত দুই ভাইকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। হায়দার মুন্সির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করেছেন চিকিৎসকরা।
আহতদের মা নিরু খাতুন বলেন, একই গ্রামের ইসলাম মণ্ডলের ছেলে কালাম মণ্ডলের সঙ্গে হায়দারের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। প্রায় তিন বছর আগে একটি মারামারির ঘটনায় হওয়া মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়। সেই বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে দুই ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
আহত সুজন মুন্সি মুঠোফোনে জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা প্রথমে তাকে কোপ দেয়। পরে তার ভাই হায়দারকে ধাওয়া করে একটি বাড়ি থেকে বের করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. রশিদ বলেন, হায়দার মুন্সির শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর জখম ছিল। তার একটি হাত ও একটি পায়ের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর হয়েছে।
চরভদ্রাসন থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় আহতের মা নিরু খাতুন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
What's Your Reaction?