দুই ভাই মিলে এক ভাগে কোরবানি দেওয়া কি জায়েজ
প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য কোরবানি একটি অত্যাবশ্যকীয় বিধান (ওয়াজিব)। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘যার কোরবানি করার সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।’ (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১, মুস্তাদরাকে হাকেম: ৭৬৩৯, আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৫) পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো’ (সুরা কাওসার: ২)। তাই প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানি: ৮/৪৫৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫) কোরবানির ক্ষেত্রে পশুতে অন্যকে শরিক করার প্রচলন রয়েছে বিশ্বজুড়ে। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতেও এটা বৈধ। তবে কাউকে শরিক করার ক্ষেত্রে একটি প্রশ্ন দেখা দেয় যে, ‘দুই ভাই মিলে এক ভাগে কোরবানি দেওয়া জায়েজ কি না?’ এ প্রসঙ্গে রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া বায়তুস সালামের সিনিয়র মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী কালবেলাকে বলেন, ‘দুই ভাই বা যেকোনো
প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য কোরবানি একটি অত্যাবশ্যকীয় বিধান (ওয়াজিব)। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘যার কোরবানি করার সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।’ (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১, মুস্তাদরাকে হাকেম: ৭৬৩৯, আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৫)
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো’ (সুরা কাওসার: ২)। তাই প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানি: ৮/৪৫৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)
কোরবানির ক্ষেত্রে পশুতে অন্যকে শরিক করার প্রচলন রয়েছে বিশ্বজুড়ে। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতেও এটা বৈধ। তবে কাউকে শরিক করার ক্ষেত্রে একটি প্রশ্ন দেখা দেয় যে, ‘দুই ভাই মিলে এক ভাগে কোরবানি দেওয়া জায়েজ কি না?’
এ প্রসঙ্গে রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া বায়তুস সালামের সিনিয়র মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী কালবেলাকে বলেন, ‘দুই ভাই বা যেকোনো দুজন ব্যক্তি মিলে একভাগে কোরবানি দিলে সেটা সহিহ হবে না। কারণ, এখানে একভাগে শরিক হচ্ছে একাধিক ব্যক্তি। আর একভাগে একাধিক ব্যক্তি শরিক হলে কোরবানি বিশুদ্ধ হয় না।’ (আদদুররুল মুহতার: ৯/৪৫৭)
মুফতি আবদুর রহমান পরামর্শ জানিয়ে আরও বলেন, এটা জায়েজ হওয়ার একটি সুরত এই যে, তাদের একজন অপরজনকে তার টাকার মালিক বানিয়ে দেবে। অতঃপর তিনি নিজের পক্ষ থেকে কোরবানি করবেন। তাহলে কোরবানি বিশুদ্ধ হবে।
উল্লেখ্য, পশুতে শরিকের ক্ষেত্রে একটি ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা দ্বারা শুধু একজনই কোরবানি দিতে পারবে। এমন একটি পশু দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোরবানি করলে কারোরটাই সহিহ হবে না। আর উট, গরু, মহিষে সর্বোচ্চ সাতজন শরিক হতে পারবে। সাতের অধিক শরিক হলে কারও কোরবানি সহিহ হবে না। (মুসলিম : ১৩১৮, মুয়াত্তা মালেক: ১/৩১৯, কাযীখান: ৩/৩৪৯, বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৭-২০৮)
What's Your Reaction?