দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে চায় ফ্যাশন উদ্যোগ

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা ও সাপ্তাহিক বন্ধের বর্তমান নিয়ম অপরিবর্তিত রাখাসহ বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে ফ্যাশন উদ্যোগ বা ফ্যাশন এন্টারপ্রেনিউরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। শনিবার (৪ এপ্রিল) সংগঠনটির সভাপতি আজহারুল হক আজাদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের কাছে এ দাবি জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খুচরা বিক্রির বড় অংশ সাধারণত সন্ধ্যার পর হয়ে থাকে। এসময় ব্যবসা সীমিত করা হলে বিক্রি, সরবরাহ ব্যবস্থা ও রাজস্ব আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, বাণিজ্যিক খাতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সীমিত হওয়ায় শুধু সময় কমিয়ে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে বিদ্যুৎ সাশ্রয় না–ও হতে পারে। ফ্যাশন উদ্যোগ মনে করে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পদক্ষেপ গ্রহণের সময় কর্মসংস্থান, রাজস্ব ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এর প্রভাব বিবেচনায় রাখা জরুরি। সেজন্য তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার রাখার বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের দেশীয় পোশাক, ফ্যাশন ও কারুশিল্প খাত অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ খাতে বিপুল সংখ্যক ম

দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে চায় ফ্যাশন উদ্যোগ

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা ও সাপ্তাহিক বন্ধের বর্তমান নিয়ম অপরিবর্তিত রাখাসহ বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে ফ্যাশন উদ্যোগ বা ফ্যাশন এন্টারপ্রেনিউরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সংগঠনটির সভাপতি আজহারুল হক আজাদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের কাছে এ দাবি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খুচরা বিক্রির বড় অংশ সাধারণত সন্ধ্যার পর হয়ে থাকে। এসময় ব্যবসা সীমিত করা হলে বিক্রি, সরবরাহ ব্যবস্থা ও রাজস্ব আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, বাণিজ্যিক খাতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সীমিত হওয়ায় শুধু সময় কমিয়ে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে বিদ্যুৎ সাশ্রয় না–ও হতে পারে।

ফ্যাশন উদ্যোগ মনে করে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পদক্ষেপ গ্রহণের সময় কর্মসংস্থান, রাজস্ব ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এর প্রভাব বিবেচনায় রাখা জরুরি। সেজন্য তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার রাখার বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের দেশীয় পোশাক, ফ্যাশন ও কারুশিল্প খাত অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ খাতে বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত। কৃষির বাইরে এটি কর্মসংস্থানের অন্যতম বৃহৎ ক্ষেত্র। পাশাপাশি এ খাত থেকে অর্জিত ভ্যাট ও রাজস্ব জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

সংগঠনটির প্রস্তাবের মধ্যে আরও রয়েছে, অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা ৫০ শতাংশ হ্রাস, প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার ও প্রয়োজন অনুযায়ী অপারেশনাল সময় ও কার্যক্রম সমন্বয় করা।

ইএইচটি/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow