দুবাইয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্রাহ্মণপাড়ার প্রবাসী নিহত, এলাকায় শোকের ছায়া
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে এক যুগ আগে মরুভূমির দেশ দুবাইয়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন শাহ আলম ভূঁইয়া (৪৫)। কয়েক দফা ছুটিতে দেশে এসে প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরে যেতেন তিনি। তবে এবারের যাওয়া আর ফেরা হলো না। দুবাইয়ে কর্মস্থলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন এই প্রবাসী। বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে দুবাইয়ে তার কর্মস্থলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত শাহ আলম কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন গ্রামের (ভূঁইয়া বাড়ি) মৃত হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে জীবিকার সন্ধানে প্রথমবার দুবাই যান শাহ আলম। দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের ভরণপোষণ করে আসছিলেন তিনি। সর্বশেষ ২০২৫ সালে তিন মাসের ছুটি কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরে যান। চার সন্তানের জনক শাহ আলমের আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। শাহ আলমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাহেবাবাদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, “শাহ আলমের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর থেকেই হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হ
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে এক যুগ আগে মরুভূমির দেশ দুবাইয়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন শাহ আলম ভূঁইয়া (৪৫)। কয়েক দফা ছুটিতে দেশে এসে প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরে যেতেন তিনি। তবে এবারের যাওয়া আর ফেরা হলো না। দুবাইয়ে কর্মস্থলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন এই প্রবাসী।
বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে দুবাইয়ে তার কর্মস্থলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত শাহ আলম কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন গ্রামের (ভূঁইয়া বাড়ি) মৃত হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে জীবিকার সন্ধানে প্রথমবার দুবাই যান শাহ আলম। দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের ভরণপোষণ করে আসছিলেন তিনি। সর্বশেষ ২০২৫ সালে তিন মাসের ছুটি কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরে যান।
চার সন্তানের জনক শাহ আলমের আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
শাহ আলমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাহেবাবাদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, “শাহ আলমের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর থেকেই হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ের কান্নায় পুরো পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।”
এদিকে, নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যরা।
What's Your Reaction?