দুর্গম সীমান্ত সড়কে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো সেনাবাহিনীর ৩৪ কন্সট্রাকশন ব্রিগেড
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম এলাকায় বসবাসরত মানুষের জন্য মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ৩৪ ইন্সট্রাকশন ব্রিগেডের ব্যবস্থাপনায় এবং ২০ ইসিবির মাঝিপাড়া আর্মি প্রকল্প ক্যাম্পের উদ্যোগে পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ঔষধ ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মাঝিপাড়া আর্মি প্রকল্প ক্যাম্প এলাকার মিলনপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরে দুপুরে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত ও অবকাঠামো বিভাগের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ কন্সট্রাকশন ব্রিগেডের ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম শামস। তারা সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ২০ ইসিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু সুফিয়ান, ৩৪ কন্সট্রাকশন ব্রিগেডের এসও লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু খালেদ আল মামুন, মাঝিপাড়া আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মঞ্জুরুল ইসলাম,
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম এলাকায় বসবাসরত মানুষের জন্য মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ৩৪ ইন্সট্রাকশন ব্রিগেডের ব্যবস্থাপনায় এবং ২০ ইসিবির মাঝিপাড়া আর্মি প্রকল্প ক্যাম্পের উদ্যোগে পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ঔষধ ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মাঝিপাড়া আর্মি প্রকল্প ক্যাম্প এলাকার মিলনপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরে দুপুরে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
এ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত ও অবকাঠামো বিভাগের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ কন্সট্রাকশন ব্রিগেডের ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম শামস। তারা সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ২০ ইসিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু সুফিয়ান, ৩৪ কন্সট্রাকশন ব্রিগেডের এসও লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু খালেদ আল মামুন, মাঝিপাড়া আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মঞ্জুরুল ইসলাম, পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত-অবকাঠামো বিভাগের উপ- প্রধান শারমিন আক্তার, নাসরিন সুলতানা (সনযুক্ত) এবং পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত ও অবকাঠামো বিভাগের সিনিয়র সচিবের পিএস ওয়াসিকুল ইসলাম, স্থানীয় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, হেডম্যান, কার্বারি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সেবা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে মাঝিপাড়া এলাকার বাসিন্দা জয়েস চাকমা বলেন, 'এত দুর্গম এলাকায় এসে সেনাবাহিনী যেভাবে আমাদের চিকিৎসা ও শীতবস্ত্র দিয়েছে, তা আমাদের জন্য অনেক বড় সহায়তা। আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ।'
৩৪ কন্সট্রাকশন ব্রিগেডের ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম শামস বলেন, 'মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমরা দুর্গম মাঝিপাড়ার প্রকল্পের মিলনপুর এলাকায় শিক্ষা, চিকিৎসা এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছি। সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি সকল প্রয়োজনে আমরা এ এলাকার সবার পাশে আছি। ভবিষ্যতেও দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।'
সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ বলেন, 'বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অক্লান্ত পরিশ্রমে সীমান্ত সড়ক নির্মিত হচ্ছে। এই সীমান্ত সড়ক যোগাযোগ সহ স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর লোকজনের জীবন মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সড়ক উন্নয়নের পাশাপাশি এখানে বিদ্যালয় নির্মাণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও শীতবস্ত্র বিতরণ করছে সেনাবাহিনী। আমি সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রমে তাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাই।'
স্থানীয়রা জানান, পাহাড়ি দুর্গম অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা ও শীতবস্ত্রের সংকট দীর্ঘদিনের। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
What's Your Reaction?