দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স, অভিযোগ এলেই ব্যবস্থা : প্রতিমন্ত্রী টুকু
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিগত সরকার ব্যাপক দুর্নীতি করায় দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। দুর্নীতির বিষয়ে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। কোনো দুর্নীতির তথ্য সামনে এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এর প্রধান কার্যালয়ে বাণিজ্যিকভাবে মহিষ পালনে উদ্যোক্তা উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশে দুধ উৎপাদন বাড়াতে ভারত থেকে মুররা জাতের মহিষ আনা হয়েছে। এসব মহিষের বাছুর সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়ে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে, যাতে তারা উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী নিরাপদ ও মানসম্মত পশুখাদ্য উৎপাদন, খামারিদের প্রশিক্ষণ, প্রাণীর চিকিৎসা ও ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং প্রাণিজ প্রোটিনের ঘাটতি পূরণে সরকার কাজ করছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিগত সরকার ব্যাপক দুর্নীতি করায় দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। দুর্নীতির বিষয়ে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। কোনো দুর্নীতির তথ্য সামনে এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এর প্রধান কার্যালয়ে বাণিজ্যিকভাবে মহিষ পালনে উদ্যোক্তা উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশে দুধ উৎপাদন বাড়াতে ভারত থেকে মুররা জাতের মহিষ আনা হয়েছে। এসব মহিষের বাছুর সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়ে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে, যাতে তারা উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী নিরাপদ ও মানসম্মত পশুখাদ্য উৎপাদন, খামারিদের প্রশিক্ষণ, প্রাণীর চিকিৎসা ও ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং প্রাণিজ প্রোটিনের ঘাটতি পূরণে সরকার কাজ করছে। কৃষিভিত্তিক শিল্পব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠাও সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, আগে অনেকেই মহিষের মাংস খেতেন না, তবে বর্তমানে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। গরুর মাংসের তুলনায় মহিষের মাংসে ক্ষতির পরিমাণও কম। মহিষ গরুর তুলনায় বেশি দুধ দিতে সক্ষম হওয়ায় দেশের মহিষের সংখ্যা বাড়াতে হবে। এর মাধ্যমে প্রাণিজ আমিষের ঘাটতি দূর করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক ড. এ বি এম মুস্তানুর রহমান। পরে বিএলআরআই এর গবেষণা কার্যক্রম নিয়ে উপস্থাপনা করেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সরদার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।
মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের লক্ষ্য, অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক ড. গৌতম কুমার দেব।
দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত মোট ১০০ জন খামারি ও উদ্যোক্তাকে মহিষ পালনের আধুনিক প্রযুক্তি, খাদ্য ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ, প্রজনন ব্যবস্থাপনা এবং খামার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
বিএলআরআই সূত্রে জানা গেছে, মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এবং প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৭২ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে প্রকল্পের আওতায় মুররা ও দেশি মহিষ সংগ্রহ, সংকর জাতের মহিষ উৎপাদন, গবেষণা অবকাঠামো নির্মাণ এবং খামারিদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
What's Your Reaction?