দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার প্রেমিকা, গ্রেপ্তার ৫

ঝিনাইদহের মহেশপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে ঘটনাটির ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাহফুজ আফজাল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৬ মার্চ রাতে মহেশপুর উপজেলার বাগদিয়ার আইট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভিকটিম তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রথমে প্রেমিক তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে আরও কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রেমিককে মারধর করে সরিয়ে দেয় এবং ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় অপরাধীরা মোবাইলে ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার ছয়দিন পর ভিকটিমের ফুফু বাদী হয়ে গত ২৭ মার্চ মহেশপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে মহেশপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫ আসামিকে

দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার প্রেমিকা, গ্রেপ্তার ৫

ঝিনাইদহের মহেশপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে ঘটনাটির ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাহফুজ আফজাল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৬ মার্চ রাতে মহেশপুর উপজেলার বাগদিয়ার আইট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভিকটিম তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রথমে প্রেমিক তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে আরও কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রেমিককে মারধর করে সরিয়ে দেয় এবং ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় অপরাধীরা মোবাইলে ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।

পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার ছয়দিন পর ভিকটিমের ফুফু বাদী হয়ে গত ২৭ মার্চ মহেশপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে মহেশপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে তাদের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। 

পুলিশ জানায়, ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও ডিজিটাল আলামত সংগ্রহের লক্ষ্যে উদ্ধার করা মোবাইল দুটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। এছাড়া ভিকটিমের ২২ ধারায় জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং শারীরিক পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে।

পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল বলেন, পুলিশের সব ইউনিট সমন্বিতভাবে কাজ করে আসামিদের গ্রেপ্তার নিশ্চিত করেছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow