দেশের প্রখ্যাত গণসংগীত শিল্পী কামরুদ্দিন আবসার আর নেই
বাংলাদেশের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও প্রখ্যাত গণসংগীত শিল্পী কামরুদ্দিন আবসার আর নেই। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। পরিবার ও সহকর্মী সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। কামরুদ্দিন আবসার দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পাশাপাশি গণসংস্কৃতি ফ্রন্টের সক্রিয় সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। গণসংগীতের দল ‘সৃজন’-এর সঙ্গেও তার দীর্ঘদিনের নিবিড় সম্পর্ক ছিল। গণসংগীত চর্চার পাশাপাশি তিনি অসংখ্য গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন। শুধু গণসংগীত নয়, বিভিন্ন ছড়ায়ও সুরারোপের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন তিনি। বামপন্থী আদর্শভিত্তিক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে শ্রমিক-কৃষকসহ মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সংস্কৃতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন তিনি। সহকর্মীদের
বাংলাদেশের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও প্রখ্যাত গণসংগীত শিল্পী কামরুদ্দিন আবসার আর নেই। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
পরিবার ও সহকর্মী সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
কামরুদ্দিন আবসার দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পাশাপাশি গণসংস্কৃতি ফ্রন্টের সক্রিয় সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। গণসংগীতের দল ‘সৃজন’-এর সঙ্গেও তার দীর্ঘদিনের নিবিড় সম্পর্ক ছিল।
গণসংগীত চর্চার পাশাপাশি তিনি অসংখ্য গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন। শুধু গণসংগীত নয়, বিভিন্ন ছড়ায়ও সুরারোপের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন তিনি।
বামপন্থী আদর্শভিত্তিক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে শ্রমিক-কৃষকসহ মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সংস্কৃতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন তিনি। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন নিষ্ঠাবান, নির্লোভ, নিরহংকার ও সাহসী একজন সাংস্কৃতিক সংগঠক।
তার মৃত্যুতে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছে। প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
What's Your Reaction?