দেড় মাস পর ময়মনসিংহের দুই স্থলবন্দরে এলো ভারতীয় কয়লা

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেড় মাস পর আবারও ভারতীয় কয়লা আমদানি শুরু হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী ২০৪ গাড়ি কয়লা এই দুই স্থলবন্দরে প্রবেশ করেছে। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. শাহীন মাহমুদ। তিনি বলেন, চলতি বছরের ১০ জানুয়ারির পর থেকে ভারতীয় কয়লা আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েন বন্দরে খেটে-খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। তবে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) কড়ইতলী স্থলবন্দর দিয়ে ৬১ গাড়ি ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দর দিয়ে ১৪৩ গাড়ি কয়লা প্রবেশ করেছে। এসব গাড়িতে মোট কয়লা ছিল ২ হাজার ৪২৮ মেট্রিক টন। এতে বন্দরকেন্দ্রিক কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। বন্দরের কাস্টম সুপার মুজাহিদ হোসেন বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৩৬টি গাড়িতে আনুমানিক ৪০ হাজার ৩২ টন কয়লা আমদানি হয়েছে। বছরের পাঁচ থেকে ছয় মাস কয়লা আমদানি হয়। এতে বছরের অর্ধেক সময় দুই স্থলবন্দরে সুনসান নিরবতা বিরাজ করে। কর্মহীন হয়ে পড়ে বন্দরকেন্দ্রিক শ্রমিকরা। কয়লা ছাড়াও ব্যবসায়ীরা অনুমোদিত অন্য কোনো পণ্য আমদানি- রপ্তানি রপ্তানি করতে পারলে বন্দরে বছরজুড়েই কর্মচাঞ্চল্য

দেড় মাস পর ময়মনসিংহের দুই স্থলবন্দরে এলো ভারতীয় কয়লা

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেড় মাস পর আবারও ভারতীয় কয়লা আমদানি শুরু হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী ২০৪ গাড়ি কয়লা এই দুই স্থলবন্দরে প্রবেশ করেছে।

বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. শাহীন মাহমুদ।

তিনি বলেন, চলতি বছরের ১০ জানুয়ারির পর থেকে ভারতীয় কয়লা আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েন বন্দরে খেটে-খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। তবে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) কড়ইতলী স্থলবন্দর দিয়ে ৬১ গাড়ি ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দর দিয়ে ১৪৩ গাড়ি কয়লা প্রবেশ করেছে। এসব গাড়িতে মোট কয়লা ছিল ২ হাজার ৪২৮ মেট্রিক টন। এতে বন্দরকেন্দ্রিক কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

দেড় মাস পর ময়মনসিংহের দুই স্থলবন্দরে এলো ভারতীয় কয়লা

বন্দরের কাস্টম সুপার মুজাহিদ হোসেন বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৩৬টি গাড়িতে আনুমানিক ৪০ হাজার ৩২ টন কয়লা আমদানি হয়েছে। বছরের পাঁচ থেকে ছয় মাস কয়লা আমদানি হয়। এতে বছরের অর্ধেক সময় দুই স্থলবন্দরে সুনসান নিরবতা বিরাজ করে। কর্মহীন হয়ে পড়ে বন্দরকেন্দ্রিক শ্রমিকরা। কয়লা ছাড়াও ব্যবসায়ীরা অনুমোদিত অন্য কোনো পণ্য আমদানি- রপ্তানি রপ্তানি করতে পারলে বন্দরে বছরজুড়েই কর্মচাঞ্চল্য থাকতো। এতে ব্যবসায়ীরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি সরকারও পাবে মোটা অঙ্কের রাজস্ব।

দেড় মাস পর ময়মনসিংহের দুই স্থলবন্দরে এলো ভারতীয় কয়লা

গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি গ্রুপের মহাসচিব অশোক কুমার অপু বলেন, কয়লার দামে ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ লাভ করতে পারে না। এতে আমদানি কম হয়। এছাড়া আমদানি করা কয়লাগুলো শুধুমাত্র ইটভাটায় যাচ্ছে। ইটভাটায় কয়লার চাহিদা শেষ হলে আমাদের কয়লাও অবিক্রীত অবস্থায় বন্দরে পড়ে থাকে। আমরা ভারতের পাথর আমদানিসহ মাছসহ কিছু পণ্য রপ্তানিরও পরিকল্পনা করছি।

কড়ইতলী স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, দেড় মাস করে কয়লা আমদানি শুরু হয়েছে। বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা চাঙা করতে চেষ্টা চলছে। বন্দরের সব ব্যবসায়ীরা চাইলে আমদানিসহ আমরা বিভিন্ন পণ্য রপ্তানিও করতে পারবো।

কামরুজ্জামান মিন্টু/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow