দৌলতদিয়া ঘাটে বাসডুবির ঘটনায় শায়খ আহমাদুল্লাহর স্ট্যাটাস
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস ডুবে বহু হতাহতের ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ওই স্ট্যাটাস দেন তিনি। রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে দেয়া ওই স্ট্যাটাসে শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, ‘নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছানোর মতো নিরাপদ সড়কের জন্য আর কত বছর আমাদের অপেক্ষা করতে হবে!’ ফেসবুকে দেয়ার ৩০ মিনিটের ব্যবধানে স্ট্যাটাসটিতে অর্ধলাখের বেশি রিয়েকশন পড়েছে। সেই সঙ্গে প্রায় আড়াই হাজার আইডি থেকে স্ট্যাটাসটির মন্তব্যের ঘরে নানা মন্তব্য করার পাশাপাশি ৩ হাজারের বেশি মানুষ শায়খ আহমাদুল্লাহর স্ট্যাটাসটি শেয়ার করেছেন। উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে। বাসটিতে প্রায় অর্ধশত যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পরপর কয়েকজন সাঁতরে উপরে উঠতে পারলেও বাকিরা বাসটির সঙ্গে পানিতে তলিয়ে যায়। এ ঘটনায় বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সে
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস ডুবে বহু হতাহতের ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ওই স্ট্যাটাস দেন তিনি।
রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে দেয়া ওই স্ট্যাটাসে শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, ‘নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছানোর মতো নিরাপদ সড়কের জন্য আর কত বছর আমাদের অপেক্ষা করতে হবে!’
ফেসবুকে দেয়ার ৩০ মিনিটের ব্যবধানে স্ট্যাটাসটিতে অর্ধলাখের বেশি রিয়েকশন পড়েছে। সেই সঙ্গে প্রায় আড়াই হাজার আইডি থেকে স্ট্যাটাসটির মন্তব্যের ঘরে নানা মন্তব্য করার পাশাপাশি ৩ হাজারের বেশি মানুষ শায়খ আহমাদুল্লাহর স্ট্যাটাসটি শেয়ার করেছেন।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে। বাসটিতে প্রায় অর্ধশত যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পরপর কয়েকজন সাঁতরে উপরে উঠতে পারলেও বাকিরা বাসটির সঙ্গে পানিতে তলিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সেই সঙ্গে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে ঘটনাস্থলে কাজ করছে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা।
What's Your Reaction?