দ্বিতীয়বারের মতো শাহজালাল মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু

মাত্র ১৯ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় মাজার প্রাঙ্গণে এই টাকা গণনা কার্যক্রম শুরু হয়। মাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ গণনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মাজারের প্রায় ৭০০ বছরের ইতিহাসে এত অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে দানের অর্থ গণনা করা হচ্ছে। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।  তিনি বলেন, কমিটির সদস্য, মাজার কর্তৃপক্ষ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দানবাক্সের অর্থ গণনা করা হচ্ছে। গণনা শেষে প্রাপ্ত অর্থ নির্ধারিত সোনালী ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে। এর আগে, গত ২২ জুন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মাজারের দানবাক্স ও দানের ডেগে জমা হওয়া অর্থ গণনা করা হয়। ওইদিন গণনা শেষে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়, যা পরে সোনালী ব্যাংকের একটি নতুন হিসাবে জমা রাখা হয়। মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত

দ্বিতীয়বারের মতো শাহজালাল মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু
মাত্র ১৯ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় মাজার প্রাঙ্গণে এই টাকা গণনা কার্যক্রম শুরু হয়। মাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ গণনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মাজারের প্রায় ৭০০ বছরের ইতিহাসে এত অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে দানের অর্থ গণনা করা হচ্ছে। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।  তিনি বলেন, কমিটির সদস্য, মাজার কর্তৃপক্ষ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দানবাক্সের অর্থ গণনা করা হচ্ছে। গণনা শেষে প্রাপ্ত অর্থ নির্ধারিত সোনালী ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে। এর আগে, গত ২২ জুন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মাজারের দানবাক্স ও দানের ডেগে জমা হওয়া অর্থ গণনা করা হয়। ওইদিন গণনা শেষে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়, যা পরে সোনালী ব্যাংকের একটি নতুন হিসাবে জমা রাখা হয়। মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত জুন মাসে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন এবং পুরোনো তিনটি ঐতিহাসিক দানের ডেগ ও একটি দানবাক্স সিলগালা করা হয়। পরবর্তীতে আর্থিক কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ করতে ১১ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। যা মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য আধুনিক ও কার্যকর কাঠামোর সুপারিশ করবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow