দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার) মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সম্ভাব্য এই মোতায়েন নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হলেও এখনো চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসার সুযোগও রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন রণতরী মোতায়েন রয়েছে। অনুমোদন পেলে নতুন যে রণতরীটি যোগ হতে পারে, সেটি হলো ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ, যা বর্তমানে ভার্জিনিয়া উপকূলে মহড়া চালাচ্ছে। কর্মকর্তাদের মতে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই এটি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল থেকে যাত্রা করতে পারে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে প্রায় এক বছর পর আবারও একসঙ্গে দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকবে। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় ইউএসএস হ্যারি এস ট্রুম্যান ও ইউএসএস কার্ল ভিনসন একসঙ্গে ওই অঞ্চলে অবস্থান করেছিল। এদিকে, ইসরা
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার) মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সম্ভাব্য এই মোতায়েন নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হলেও এখনো চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসার সুযোগও রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন রণতরী মোতায়েন রয়েছে। অনুমোদন পেলে নতুন যে রণতরীটি যোগ হতে পারে, সেটি হলো ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ, যা বর্তমানে ভার্জিনিয়া উপকূলে মহড়া চালাচ্ছে। কর্মকর্তাদের মতে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই এটি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল থেকে যাত্রা করতে পারে।
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে প্রায় এক বছর পর আবারও একসঙ্গে দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকবে। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় ইউএসএস হ্যারি এস ট্রুম্যান ও ইউএসএস কার্ল ভিনসন একসঙ্গে ওই অঞ্চলে অবস্থান করেছিল।
এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বর্তমানে ওয়াশিংটনে রয়েছেন এবং হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করছেন। বৈঠকে ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনাসহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওমানের মাসকটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম দফার পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প ওই আলোচনা খুব ভালো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, আলোচনায় শুধু পারমাণবিক ইস্যুই গুরুত্ব পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করুক, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করুক এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থন বন্ধ করুক। কিন্তু তেহরান এসব দাবি বারবার প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।
What's Your Reaction?