ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অর্থ সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নে দায়িত্বরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির সিন্দুকছড়ি জোন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (৪ মার্চ) সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের মুড়াপাড়া এলাকায় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের 'শ্রীশ্রী সার্বজনীন মহাযজ্ঞ' অনুষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহনশীলতার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।সিন্দুকছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. মাজহার হোসেন রাব্বানী এবং ক্যাপ্টেন মো. আসিফ বিন ফারুক উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আয়োজকদের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সকল ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিরোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তাছাড়া এ ধরনের উদ্যোগ পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।এ সময় আয়োজক কমিটি

ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অর্থ সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নে দায়িত্বরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির সিন্দুকছড়ি জোন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (৪ মার্চ) সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের মুড়াপাড়া এলাকায় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের 'শ্রীশ্রী সার্বজনীন মহাযজ্ঞ' অনুষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহনশীলতার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

সিন্দুকছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. মাজহার হোসেন রাব্বানী এবং ক্যাপ্টেন মো. আসিফ বিন ফারুক উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আয়োজকদের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সকল ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিরোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তাছাড়া এ ধরনের উদ্যোগ পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

এ সময় আয়োজক কমিটি ও স্থানীয়রা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow