ধর্ম নয়, আমাদের কাছে মুখ্য দেশের মানুষ : তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা সবাই বিএনপি করি। আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি। আমরা সব ধর্ম-বর্ণের মানুষকে নিয়ে একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। আমাদের কাছে জাত-পাত মুখ্য নয়, ধর্মটা মুখ্য নয়, আমাদের কাছে মুখ্য হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ। কাজেই আমরা মানুষকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করতে চাই। আমরা যদি দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি। তাহলেই একমাত্র সম্ভব দেশ ও জনগণের প্রকৃত সমস্যাগুলোর সমাধান করা।  তিনি বলেন, আজ সিরাজগঞ্জের মেরি ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে সারাজীবনের জন্য নিজের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। এ রকম হাজারও মেরি বাংলাদেশে রয়েছে। যে মানুষগুলো গত ১৬-১৭ বছর যাবত প্রতিবাদ করেছে, কীসের প্রতিবাদ? আপনাদের যে রাজনৈতিক অধিকার সেই যে গত ৫ আগস্ট পালিয়ে গিয়েছে তারা আপনাদের রাজনৈতিক অধিকার, কথা বলার অধিকার, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল সেটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়েই মেরীসহ আমাদের হাজার হাজার ভাই-বোন নির্যাতিত হয়েছে, পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, এমনকি বহু মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছে। এই মানুষগুলোর আত্মত্যাগের প্রতিদান দিতে হলে শুধু মিটিং করলে হবে না। তাদের প্রতিবাদ ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ত

ধর্ম নয়, আমাদের কাছে মুখ্য দেশের মানুষ : তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা সবাই বিএনপি করি। আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি। আমরা সব ধর্ম-বর্ণের মানুষকে নিয়ে একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। আমাদের কাছে জাত-পাত মুখ্য নয়, ধর্মটা মুখ্য নয়, আমাদের কাছে মুখ্য হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ। কাজেই আমরা মানুষকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করতে চাই। আমরা যদি দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি। তাহলেই একমাত্র সম্ভব দেশ ও জনগণের প্রকৃত সমস্যাগুলোর সমাধান করা।  তিনি বলেন, আজ সিরাজগঞ্জের মেরি ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে সারাজীবনের জন্য নিজের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। এ রকম হাজারও মেরি বাংলাদেশে রয়েছে। যে মানুষগুলো গত ১৬-১৭ বছর যাবত প্রতিবাদ করেছে, কীসের প্রতিবাদ? আপনাদের যে রাজনৈতিক অধিকার সেই যে গত ৫ আগস্ট পালিয়ে গিয়েছে তারা আপনাদের রাজনৈতিক অধিকার, কথা বলার অধিকার, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল সেটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়েই মেরীসহ আমাদের হাজার হাজার ভাই-বোন নির্যাতিত হয়েছে, পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, এমনকি বহু মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছে। এই মানুষগুলোর আত্মত্যাগের প্রতিদান দিতে হলে শুধু মিটিং করলে হবে না। তাদের প্রতিবাদ ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে, তাদের প্রতিবাদ ছিল সারা বাংলাদেশের মানুষের যে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। এই অধিকারকে ফিরিয়ে আনতে হলে অবশ্যেই ১২ তারিখে আপনাদের সোচ্চার হতে হবে।  শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকায় বিসিক শিল্পপার্কে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  এদিন বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে জনসভা মঞ্চে উপস্থিত হন তারেক রহমান। তার সফরসঙ্গী হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। প্রিয় নেতার উপস্থিতিতে মুহুর্মুহু করতালি ও স্লোগানে মুখরিত হয় জনসভাস্থল। ১৯ বছরেরও বেশি সময় তারেক রহমান সিরাজগঞ্জে আসেন। তার আগমনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।  শনিবার সকাল ১০টা থেকেই জনসভাস্থলে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মিছিল নিয়ে আসতে থাকেন। দুপুরের মধ্যে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় বিসিক শিল্পপার্ক মাঠ। ধানের শীষের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় পুরো মাঠ। বিকাল পৌনে ৩টার দিকে জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভা শুরু হয়। এ জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।  এ ছাড়াও বক্তব্য দেন বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, আমিরুল ইসলাম খান আলীম, পাবনা-৪ হাবিবুর রহমান হাবিব, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী এম আকবর আলী, পাবনা-৫ আসনের প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের প্রার্থী এমএ মুহিত, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী সেলিম রেজা, পাবনা-১ আসনের প্রার্থী শামসুর রহমান, পাবনা-২ আসনের প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৩ আসনের প্রার্থী হাসান জাফির তুহিন প্রমুখ।  প্রসঙ্গত, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে সিরাজগঞ্জে এসেছিলেন। তিনি ২৪ ডিসেম্বর কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ধোপাকান্দি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের জনসভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow