ধানক্ষেত থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার  

রাজশাহীর পবা উপজেলার দর্শনপাড়া ইউনিয়নের বিল ধরমপুর এলাকায় ধানক্ষেত থেকে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, তাকে শ্বাসরোধ করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে রাজশাহী মহানগর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আদিব আহনাফ স্থানীয় মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে এবং বিল ধরমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।  পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১ মার্চ) রাতে দাদা শামসুল হুদার সঙ্গে ধরমপুর জামে মসজিদে তারাবির নামাজের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয় আদিব। তবে রাত পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি ফেরেনি। পরিবার ও আত্মীয়স্বজন আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। সূত্রে আরও জানা যায়, সোমবার (২ মার্চ) ভোরে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক ধানক্ষেতে কাজ করতে গেলে একটি মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশ খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরিবারের দাবি, নিহতের পরনে পাঞ্জাবি ও প্যান্ট ছিল। প্যান্টের বেল্ট খুলে গলায় প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে।  এ বিষয়ে নিহতের মামা মো. মোকছেদ আলী বলেন, এট

ধানক্ষেত থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার  
রাজশাহীর পবা উপজেলার দর্শনপাড়া ইউনিয়নের বিল ধরমপুর এলাকায় ধানক্ষেত থেকে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, তাকে শ্বাসরোধ করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে রাজশাহী মহানগর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আদিব আহনাফ স্থানীয় মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে এবং বিল ধরমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।  পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১ মার্চ) রাতে দাদা শামসুল হুদার সঙ্গে ধরমপুর জামে মসজিদে তারাবির নামাজের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয় আদিব। তবে রাত পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি ফেরেনি। পরিবার ও আত্মীয়স্বজন আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। সূত্রে আরও জানা যায়, সোমবার (২ মার্চ) ভোরে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক ধানক্ষেতে কাজ করতে গেলে একটি মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশ খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরিবারের দাবি, নিহতের পরনে পাঞ্জাবি ও প্যান্ট ছিল। প্যান্টের বেল্ট খুলে গলায় প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে।  এ বিষয়ে নিহতের মামা মো. মোকছেদ আলী বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। আমার ভাগ্নেকে নির্মমভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তিনি আরও বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কর্ণহার থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কর্ণহার থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow