‘ধৈর্য ধরতে হতো, এখন দল উইনিং কালচারের দিকে যাচ্ছে’

বাংলাদেশ ক্রিকেটে বদলের সময়টা সহজ ছিল না। একের পর এক সিনিয়র ক্রিকেটারের বিদায়, ধারাবাহিক ব্যর্থতা, কোচিং স্টাফ নিয়ে সমালোচনা। সব মিলিয়ে কঠিন এক সময় পার করেছে দল। তবে সেই সময়টায় ভেতরে থাকা কোচিং স্টাফের সদস্য, খেলোয়াড় কেউই নাকি কখনোই বিচলিত ছিলেন না। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের দিনই জাতীয় দলের কোচিং স্টাফ থেকে বিদায় নিয়েছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। বিসিবির হাই পারফরম্যান্স ইউনিট এখন তার নতুন ঠিকানা। এর আগে বৃহস্পতিবার হোম অব ক্রিকেটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। মাঝের অস্থির সময় নিয়ে তার মূল্যায়ন, ‘দেখুন এটা আপনারা বাইরে থেকে চিন্তা করছেন ওই সময় যে কি না কি হয়ে গেল! তবে আমরা তো ভিতরে (সিস্টেমের) ছিলাম, কখনো এসব নিয়ে চিন্তা করিনি। আমরা চিন্তা করছিলাম দল সামনে এগোচ্ছে কিনা বেটার হচ্ছে কিনা।’ সালাউদ্দিনের মতে, দলকে নতুনভাবে দাঁড় করাতে সময় লাগাটাই স্বাভাবিক ছিল। কারণ একসঙ্গে কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের জায়গা পূরণ করা সম্ভব নয় রাতারাতি। তিনি বলেন, ‘আমাদের পাঁচ ছয়টা ম্যাচিউর প্লেয়ার যারা অনেকদিন দেশকে সার্ভিস দিয়েছে তারা চলে যাওয়ার পরে তো একটা তো শূন্যতা হইছে... সেটা তো

‘ধৈর্য ধরতে হতো, এখন দল উইনিং কালচারের দিকে যাচ্ছে’

বাংলাদেশ ক্রিকেটে বদলের সময়টা সহজ ছিল না। একের পর এক সিনিয়র ক্রিকেটারের বিদায়, ধারাবাহিক ব্যর্থতা, কোচিং স্টাফ নিয়ে সমালোচনা। সব মিলিয়ে কঠিন এক সময় পার করেছে দল। তবে সেই সময়টায় ভেতরে থাকা কোচিং স্টাফের সদস্য, খেলোয়াড় কেউই নাকি কখনোই বিচলিত ছিলেন না। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের দিনই জাতীয় দলের কোচিং স্টাফ থেকে বিদায় নিয়েছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। বিসিবির হাই পারফরম্যান্স ইউনিট এখন তার নতুন ঠিকানা। এর আগে বৃহস্পতিবার হোম অব ক্রিকেটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

মাঝের অস্থির সময় নিয়ে তার মূল্যায়ন, ‘দেখুন এটা আপনারা বাইরে থেকে চিন্তা করছেন ওই সময় যে কি না কি হয়ে গেল! তবে আমরা তো ভিতরে (সিস্টেমের) ছিলাম, কখনো এসব নিয়ে চিন্তা করিনি। আমরা চিন্তা করছিলাম দল সামনে এগোচ্ছে কিনা বেটার হচ্ছে কিনা।’

সালাউদ্দিনের মতে, দলকে নতুনভাবে দাঁড় করাতে সময় লাগাটাই স্বাভাবিক ছিল। কারণ একসঙ্গে কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের জায়গা পূরণ করা সম্ভব নয় রাতারাতি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের পাঁচ ছয়টা ম্যাচিউর প্লেয়ার যারা অনেকদিন দেশকে সার্ভিস দিয়েছে তারা চলে যাওয়ার পরে তো একটা তো শূন্যতা হইছে... সেটা তো রাতারাতি পূরণ করা সম্ভব না।’

সমর্থকদের আরও ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওই সময়টা সবার একটু ধৈর্য ধরা উচিত আমি আমাদের দেশের সবাইকে বলব যে মাঝে মাঝে বুঝতে হয় যে আসলে কখন ধৈর্য ধরতে হবে।’

এসকেডি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow