নওগাঁয় ৮ হাজার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে নওগাঁয় ৮ হাজার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় জেলার বিভিন্ন মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে নওগাঁ সদর উপজেলার মশরপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। কর্মসূচির আওতায় জেলার প্রায় ৮ হাজার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দুটি করে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৭ হাজার মসজিদ রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে। এ সময় নওগাঁ জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মাহমুদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন নওগাঁর উপ-পরিচালক মো. মারুফ রায়হান, জেলা বন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরি
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে নওগাঁয় ৮ হাজার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় জেলার বিভিন্ন মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে নওগাঁ সদর উপজেলার মশরপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
কর্মসূচির আওতায় জেলার প্রায় ৮ হাজার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দুটি করে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৭ হাজার মসজিদ রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে।
এ সময় নওগাঁ জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মাহমুদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন নওগাঁর উপ-পরিচালক মো. মারুফ রায়হান, জেলা বন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা হবে, অন্যদিকে ফলজ গাছের মাধ্যমে ভবিষ্যতে স্থানীয়ভাবে ফলের চাহিদাও পূরণে ভূমিকা রাখবে। এছাড়াও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিষয়ে সবাইকে পরামর্শ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণের কার্যক্রমকে শতভাগ সফল করার লক্ষ্যে পরিবেশবান্ধব বৃক্ষরোপণ করা হবে। সেই কর্মসূচির আওতায় জেলাজুড়ে একযোগে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যেহেতু মসজিদ ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তাই এমন কর্মসূচিতে তাদের অংশগ্রহণও খুব জরুরি। যার কারণে সমাজের প্রতিটি জায়গায় বৃক্ষরোপণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
What's Your Reaction?