নাগরিকদের বাকিতে কেনাকাটার সুযোগ দিল ইরান
ইরানের সরকার নতুন একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে, যার আওতায় নাগরিকরা বাকিতে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবেন, আর ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তা হিসেবে সরকার সহায়ক ভূমিকা রাখবে। খবর বিবিসির। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী, যারা সরকারি সহায়তা পায় এমন পরিবারগুলো প্রতি দুই মাসে একবার দোকান থেকে মৌলিক পণ্য বাকিতে কিনতে পারবে, যার মূল্য তাদের প্রাপ্ত সহায়তার অঙ্কের বেশি হবে না। এই পরিকল্পনার অর্থায়ন করা হবে বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে। মূলত সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানে বহু পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই সমস্যা থেকে সাধারণ ইরানিদের রক্ষায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোজতবা খামেনির সরকার। এদিকে তেহরানভিত্তিক পত্রিকা ডোনিয়া-ই-ইকতেসাদ চলতি বছরে মূল্যস্ফীতির হার নিয়ে তিনটি সম্ভাব্য পূর্বাভাস তুলে ধরেছে। পত্রিকাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যদি কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যায়, তাহলে সর্বোত্তম পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৪৯ শতাংশে সীমিত থাকতে পারে। যদি না যুদ্ধ, না শান্তি পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, যেমনটি গত বছর ১২ দিনের যুদ্ধের পর এবং এ বছর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার আগে দেখা গিয়েছিল; তাহলে
ইরানের সরকার নতুন একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে, যার আওতায় নাগরিকরা বাকিতে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবেন, আর ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তা হিসেবে সরকার সহায়ক ভূমিকা রাখবে। খবর বিবিসির।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী, যারা সরকারি সহায়তা পায় এমন পরিবারগুলো প্রতি দুই মাসে একবার দোকান থেকে মৌলিক পণ্য বাকিতে কিনতে পারবে, যার মূল্য তাদের প্রাপ্ত সহায়তার অঙ্কের বেশি হবে না।
এই পরিকল্পনার অর্থায়ন করা হবে বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে। মূলত সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানে বহু পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই সমস্যা থেকে সাধারণ ইরানিদের রক্ষায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোজতবা খামেনির সরকার।
এদিকে তেহরানভিত্তিক পত্রিকা ডোনিয়া-ই-ইকতেসাদ চলতি বছরে মূল্যস্ফীতির হার নিয়ে তিনটি সম্ভাব্য পূর্বাভাস তুলে ধরেছে।
পত্রিকাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যদি কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যায়, তাহলে সর্বোত্তম পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৪৯ শতাংশে সীমিত থাকতে পারে।
যদি না যুদ্ধ, না শান্তি পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, যেমনটি গত বছর ১২ দিনের যুদ্ধের পর এবং এ বছর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার আগে দেখা গিয়েছিল; তাহলে মূল্যস্ফীতি ৬৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
আর যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র আকার নিলে ইরান অতিমূল্যস্ফীতির পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যেখানে মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ১২৩ শতাংশে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?