নাটোরে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক
নাটোর সদরের হাশেমপুর এলাকায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ছেলে মইন উদ্দিন সিয়ামকে আটক করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। নিহত ওই ব্যক্তির নাম মহরম আলি (৫৫)। মইন উদ্দিন সিয়াম সম্পর্কে তার ছেলে হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরের দিকে নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে হঠাৎ মহরম আলির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এ সময় তারা দেখতে পান, কে বা কারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে গেছে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মহরম আলিকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে তার মৃত্যু হয়। নাটোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত অনুসন্ধান করে অভিযানে নামে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। অভিযানে নিহতের ছেলে মইন উদ্দিন সিয়ামকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স
নাটোর সদরের হাশেমপুর এলাকায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ছেলে মইন উদ্দিন সিয়ামকে আটক করেছে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। নিহত ওই ব্যক্তির নাম মহরম আলি (৫৫)। মইন উদ্দিন সিয়াম সম্পর্কে তার ছেলে হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরের দিকে নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে হঠাৎ মহরম আলির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এ সময় তারা দেখতে পান, কে বা কারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে গেছে।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মহরম আলিকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
নাটোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত অনুসন্ধান করে অভিযানে নামে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। অভিযানে নিহতের ছেলে মইন উদ্দিন সিয়ামকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই ছেলে ঢাকার কর্মক্ষেত্র থেকে ঈদের মধ্যে বাড়িতে আসে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় সিয়াম।
এ বিষয়ে নাটোর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্না বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?