নাটোরে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে গ্রাম পুলিশ সদস্যের গলায় ফাঁস

নাটোরের লালপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে আল আমিন হোসেন পলাশ (২৯) নামে এক গ্রাম পুলিশ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার উত্তর লালপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। আল আমিন হোসেন পলাশ উপজেলার উত্তর লালপুর গ্রামের মৃত হুমায়ুন কবির বিশ্বাসের ছেলে। তার বাবা মারা যাওয়ার পর আল আমিন পলাশ সেই গ্রাম পুলিশের চাকরি শুরু করেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে পারিবারিকভাবে জান্নাতুল ফেরদৌসের সঙ্গে বিয়ে হয় পলাশের। তবে গত তিন মাস ধরে পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এর জের ধরে গত রাতে নিজ শয়নকক্ষে তীরের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস নেন পলাশ। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পলাশের মা মনোয়ারা বেগম তাকে রাতের খাবারের জন্য ডাকতে যান। কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্

নাটোরে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে গ্রাম পুলিশ সদস্যের গলায় ফাঁস

নাটোরের লালপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে আল আমিন হোসেন পলাশ (২৯) নামে এক গ্রাম পুলিশ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার উত্তর লালপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

আল আমিন হোসেন পলাশ উপজেলার উত্তর লালপুর গ্রামের মৃত হুমায়ুন কবির বিশ্বাসের ছেলে। তার বাবা মারা যাওয়ার পর আল আমিন পলাশ সেই গ্রাম পুলিশের চাকরি শুরু করেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে পারিবারিকভাবে জান্নাতুল ফেরদৌসের সঙ্গে বিয়ে হয় পলাশের। তবে গত তিন মাস ধরে পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এর জের ধরে গত রাতে নিজ শয়নকক্ষে তীরের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস নেন পলাশ।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে পলাশের মা মনোয়ারা বেগম তাকে রাতের খাবারের জন্য ডাকতে যান। কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের মা মোছা. মনোয়ারা বেগম থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়।

রেজাউল করিম রেজা/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow