নান্নু মার্কেটে ঈদের কেনাকাটার ধুম, ‘এক দাম’ নিয়ে ক্রেতাদের ক্ষোভ

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর নান্নু মার্কেটে জমে উঠেছে কেনাকাটা। ইফতারের পর থেকেই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় আর বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, ঈদ উপলক্ষে পোশাকের বাড়তি দাম রাখা হচ্ছে এবং ‘এক দাম’ পদ্ধতির কারণে দরদাম করার সুযোগ না থাকায় তারা একপ্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) নান্নু মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, দ্রুত বেচাকেনা সারতে বিক্রেতারা শার্ট, প্যান্ট ও গেঞ্জির সঙ্গে দাম লিখে ঝুলিয়ে রেখেছেন। সারি সারি ঝুলিয়ে রাখা শার্টের গায়ে লেখা ১০০০ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন, ভিড় বেশি হওয়ায় দরদাম করার সময় নেই, তাই এই পদ্ধতি। সুমন ফ্যাশনের বিক্রেতা সজীব আহমেদ বলেন, ‘এখন ক্রেতার ভিড় অনেক বেশি। দরদাম করার সময় নেই বলে এক দামে বিক্রি করছি। তবে কেউ একসঙ্গে কয়েকটি পোশাক কিনলে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়।’ সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের পোশাক কারখানা থেকে আনা নানা ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে এই মার্কেটে। বর্তমানে বাজারের দামের চিত্রটি অনেকটা এ রকম। শার্ট: ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা। প্যান্ট (জিন্স ও গ্যাবার্ডিন): ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। পাঞ্জাবি: ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা

নান্নু মার্কেটে ঈদের কেনাকাটার ধুম, ‘এক দাম’ নিয়ে ক্রেতাদের ক্ষোভ

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর নান্নু মার্কেটে জমে উঠেছে কেনাকাটা। ইফতারের পর থেকেই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় আর বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, ঈদ উপলক্ষে পোশাকের বাড়তি দাম রাখা হচ্ছে এবং ‘এক দাম’ পদ্ধতির কারণে দরদাম করার সুযোগ না থাকায় তারা একপ্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছেন।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) নান্নু মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, দ্রুত বেচাকেনা সারতে বিক্রেতারা শার্ট, প্যান্ট ও গেঞ্জির সঙ্গে দাম লিখে ঝুলিয়ে রেখেছেন। সারি সারি ঝুলিয়ে রাখা শার্টের গায়ে লেখা ১০০০ টাকা।

jagonews24

বিক্রেতারা বলছেন, ভিড় বেশি হওয়ায় দরদাম করার সময় নেই, তাই এই পদ্ধতি। সুমন ফ্যাশনের বিক্রেতা সজীব আহমেদ বলেন, ‘এখন ক্রেতার ভিড় অনেক বেশি। দরদাম করার সময় নেই বলে এক দামে বিক্রি করছি। তবে কেউ একসঙ্গে কয়েকটি পোশাক কিনলে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়।’

সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের পোশাক কারখানা থেকে আনা নানা ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে এই মার্কেটে। বর্তমানে বাজারের দামের চিত্রটি অনেকটা এ রকম। শার্ট: ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা। প্যান্ট (জিন্স ও গ্যাবার্ডিন): ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। পাঞ্জাবি: ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা। এক্সপোর্ট আইটেম: ৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা।

jagonews24

এছাড়াও নারী ও শিশুদের জন্য টপস, লেগিংস, পালাজ্জো এবং পশ্চিমা ঘরানার পোশাকের ব্যাপক সমারোহ দেখা গেছে।

বাজারে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, দোকানদাররা ঈদ উপলক্ষে দাম বাড়িয়ে রেখেছেন এবং ‘এক দাম’ বলে কোনো ছাড় দিচ্ছেন না।

স্কুলছাত্র ছেলের জন্য ৫০০ টাকায় ট্রাউজার কেনা মোয়াজ্জেম হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমাকে বলেছে এক দাম ৫০০ টাকা, এর কম হবে না। বাধ্য হয়ে এই দামেই কিনতে হলো, কোথাও দামাদামি করা যাচ্ছে না।’

jagonews24

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নাজমুল হাসান তার বন্ধুদের নিয়ে পাঞ্জাবি কিনতে এসে বলেন, ‘ভালো পাঞ্জাবির দাম ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকার নিচে নেই। অনেক বেশি দাম চাওয়া হচ্ছে, কিন্তু দরদাম করার কোনো সুযোগ কেউ দিচ্ছে না।’

নতুন কেনা পোশাক ছোট করা বা ফিটিং করার জন্য ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে কাটিং-ফিটিংয়ের দোকানগুলোতে। কেনা পণ্য হাতে নিয়ে দর্জি দোকানে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা গেছে অনেক ক্রেতাকে।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি তত বাড়বে। তবে ক্রেতারা চান বাজারের এই ‘এক দাম’-এর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে সহনশীল মূল্যে পণ্য বিক্রির পরিবেশ।

এসএম/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow