নাফনদে সশস্ত্র রোহিঙ্গা দুর্বৃত্তদের তাণ্ডব

কক্সবাজারের নাফনদে মিয়ানমারভিত্তিক রোহিঙ্গা সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা একটি জেলে নৌকাকে ধাওয়া করে গুলিবর্ষণ করে এবং একপর্যায়ে নৌকাটি দখলে নিয়ে ডুবিয়ে দেয়।  শনিবার (৩০মে) বিকেলে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুলিশপাড়া সীমান্তসংলগ্ন নাফনদে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের দিকে মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা এলাকা থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা করে তিনজন সশস্ত্র ব্যক্তি একটি জেলে নৌকাকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে তারা নাফনদের হ্নীলা অংশে এসে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে জেলে নৌকায় থাকা দুই ব্যক্তি প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেন। এরপর দুর্বৃত্তরা জেলে নৌকাটি নিজেদের নৌকার সঙ্গে বেঁধে মাঝনদীতে নিয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, নৌকায় থাকা মাছ ধরার জালসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নেওয়ার পর নৌকাটি ডুবিয়ে দেওয়া হয়।  এ ঘটনায় রাতে ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, শনিবার বিকেলে বাংলাদেশের জলসীমার মধ্যে একটি জেলে নৌকাকে তিন সদস্যের একটি রোহিঙ্গা ডাকাত দল ধাওয়া করে। জেলেদের নৌকা না থামায় ডাকাতরা এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে নৌকায় থাকা দুই ব্যক্তি নদীতে ঝাঁপ দেন। তিনি

নাফনদে সশস্ত্র রোহিঙ্গা দুর্বৃত্তদের তাণ্ডব

কক্সবাজারের নাফনদে মিয়ানমারভিত্তিক রোহিঙ্গা সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা একটি জেলে নৌকাকে ধাওয়া করে গুলিবর্ষণ করে এবং একপর্যায়ে নৌকাটি দখলে নিয়ে ডুবিয়ে দেয়। 

শনিবার (৩০মে) বিকেলে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুলিশপাড়া সীমান্তসংলগ্ন নাফনদে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের দিকে মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা এলাকা থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা করে তিনজন সশস্ত্র ব্যক্তি একটি জেলে নৌকাকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে তারা নাফনদের হ্নীলা অংশে এসে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে জেলে নৌকায় থাকা দুই ব্যক্তি প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেন। এরপর দুর্বৃত্তরা জেলে নৌকাটি নিজেদের নৌকার সঙ্গে বেঁধে মাঝনদীতে নিয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, নৌকায় থাকা মাছ ধরার জালসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নেওয়ার পর নৌকাটি ডুবিয়ে দেওয়া হয়। 

এ ঘটনায় রাতে ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, শনিবার বিকেলে বাংলাদেশের জলসীমার মধ্যে একটি জেলে নৌকাকে তিন সদস্যের একটি রোহিঙ্গা ডাকাত দল ধাওয়া করে। জেলেদের নৌকা না থামায় ডাকাতরা এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে নৌকায় থাকা দুই ব্যক্তি নদীতে ঝাঁপ দেন।

তিনি জানান, গুলির শব্দ শুনে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে অগ্রসর হয়। এ সময় ডাকাত দলের নৌকাটি বেড়িবাঁধ থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে নদীর অভ্যন্তরে অবস্থান করছিল। পরে পানিতে থাকা দুই রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে আটক করা হয়।

বিজিবি জানায়, পরে ডাকাত দলের নৌকাটি সুলিশপাড়া হয়ে বিওপির সামনে দিয়ে চর কাব্যিকের দিকে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি ধাওয়া করে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে ডাকাত দল দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে চর কাব্যিকের দিকে পালিয়ে যায়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটক দুই রোহিঙ্গা জেলে সেজে ইয়াবা আনতে নদীপথে গিয়েছিল এবং প্রতিদ্বন্দ্বী আরেকটি রোহিঙ্গা ডাকাত দল ওই চালান ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশে তাদের ওপর হামলা চালায়। 

আটক দুই রোহিঙ্গা হলেন- ইমাম হোসেন (২৫) ও নুরুল আমিন (২৩)। তারা উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবি আরও জানিয়েছে, আটক দুই রোহিঙ্গার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow