নামাজের মধ্যে ইশারায় ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলা যাবে?

প্রশ্ন: একদিন ঘরে জোহরের নামাজ পড়ার সময় একজন এসে আমাকে একটা প্রশ্ন করলে আমি মুখে কিছু না বলে ইশারায় হ্যাঁ-সূচক উত্তর দেই। প্রশ্ন হলো, এভাবে ইশারায় `হ্যাঁ\' বলার কারণে কি আমার নামাজ নষ্ট হয়ে গেছে? ওই নামাজ পুনরায় পড়তে হবে? উত্তর: আপনার ওই নামাজ শুদ্ধ হয়েছে। পুনরায় পড়তে হবে না। মাথা সামান্য নেড়ে হ্যাঁ বা না সূচক ইশারা করলে নামাজ ভেঙে যায় না বা নষ্ট হয়ে যায় না। তবে খুব বেশি ওজর ছাড়া নামাজে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। নামাজ ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। একজন মুসলমান যখন নামাজে দাঁড়ায়, তখন পূর্ণ একাগ্রতার সাথে আল্লাহমুখী হওয়া উচিত। কারণ সে তখন সে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে একান্তে কথা বলার মতো অবস্থায় থাকে। রাসুলে কারিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে তার রবের সাথে একান্তে কথা বলে। (সহিহ বুখারি) হজরত আবু জর (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, নামাজরত ব্যক্তি যতক্ষণ এদিক সেদিক ভ্রুক্ষেপ না করে ততক্ষণ আল্লাহর রহমত তার প্রতি থাকে। আর যখন সে অন্য দিকে ভ্রুক্ষেপ করে তখন আল্লাহর রহমত তার থেকে

নামাজের মধ্যে ইশারায় ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলা যাবে?

প্রশ্ন: একদিন ঘরে জোহরের নামাজ পড়ার সময় একজন এসে আমাকে একটা প্রশ্ন করলে আমি মুখে কিছু না বলে ইশারায় হ্যাঁ-সূচক উত্তর দেই। প্রশ্ন হলো, এভাবে ইশারায় `হ্যাঁ' বলার কারণে কি আমার নামাজ নষ্ট হয়ে গেছে? ওই নামাজ পুনরায় পড়তে হবে?

উত্তর: আপনার ওই নামাজ শুদ্ধ হয়েছে। পুনরায় পড়তে হবে না। মাথা সামান্য নেড়ে হ্যাঁ বা না সূচক ইশারা করলে নামাজ ভেঙে যায় না বা নষ্ট হয়ে যায় না। তবে খুব বেশি ওজর ছাড়া নামাজে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকা কর্তব্য।

নামাজ ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। একজন মুসলমান যখন নামাজে দাঁড়ায়, তখন পূর্ণ একাগ্রতার সাথে আল্লাহমুখী হওয়া উচিত। কারণ সে তখন সে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে একান্তে কথা বলার মতো অবস্থায় থাকে। রাসুলে কারিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে তার রবের সাথে একান্তে কথা বলে। (সহিহ বুখারি)

হজরত আবু জর (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, নামাজরত ব্যক্তি যতক্ষণ এদিক সেদিক ভ্রুক্ষেপ না করে ততক্ষণ আল্লাহর রহমত তার প্রতি থাকে। আর যখন সে অন্য দিকে ভ্রুক্ষেপ করে তখন আল্লাহর রহমত তার থেকে সরে যায়। (সুনানে আবু দাউদ)

নামাজরত ব্যক্তির মনোযোগ নষ্ট হয় এমন কোনো কাজ করা অন্যায়। তাই একেবারে অপরিহার্য না হলে নামাজরত ব্যক্তিকে কিছু জিজ্ঞাসা করা এবং জবাব দিতে বাধ্য করাও গুনাহর কাজ। এ কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরি।

উল্লেখ্য, নামাজরত অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে বা ভুল করে কাউকে সম্বোধন করে কিছু বললে নামাজ ভেঙে যাবে। শুধু নিজে শুনতে পায় এতটুকু নিচু আওয়াজে কথা বলে ফেললেও নামাজ ভেঙে যাবে। কেউ যদি নামাজ আদায়রত ব্যক্তিকে সালাম দেয়, নামাজি ইচ্ছাকৃতভাবে বা ভুল করে সশব্দে অর্থাৎ মুখে সালামের উত্তর দিলে নামাজ ভেঙে যাবে।

তাকবিরে তাহরিমার মাধ্যমে নামাজ শুরু করার পর নামাজের বাইরের সব কাজকর্ম হারাম বা নিষিদ্ধ হয়ে যায়। রাসুল (সা.) বলেন, সালাতের চাবি হল পবিত্রতা। তাকবিরে তাহরিমা নামাজের বাইরের সব কাজ কাজ হারাম করে দেয় আর সালাম তা হালাল করে। (সুনানে তিরমিজি)

রাসুল (সা.) আরও বলেন, নামাজে কারো সাথে কথা বলার সুযোগ নেই। নামাজ শুধু তাসবিহ, তাকবির ও কোরআন তিলাওয়াত। (সহিহ মুসলিম)

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow