নারীর পায়ের মোজার ভেতরে লুকানো ছিল ২ হাজার ইয়াবা
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় অভিনব কৌশলে পায়ের মোজার ভেতরে লুকানো দুই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় এক নারীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ভৈরবপুর এলাকায় সিলেট বাসস্ট্যান্ডের বিপরীতে বিসমিল্লাহ ফল ভান্ডারের পাশে সড়কে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক রানু বেগম (৪২) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী। বর্তমানে তিনি বিজয়নগর উপজেলার চাঁনপুর (ঈদগাহ সংলগ্ন) এলাকায় বসবাস করছিলেন। অভিযান সূত্রে জানা গেছে, বুধবার মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে ইয়াবাগুলো গোপন রাখার চেষ্টা করেন রানু বেগম। তিনি তার বাম পায়ের মোজার ভেতরে ১০টি কালো জিপারযুক্ত পলিপ্যাকেটে ইয়াবাগুলো লুকিয়ে রাখেন। পরে তার কাছ থেকে প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে মোট ২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর কালবেলাকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার পরিমাণ ২ হাজার
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় অভিনব কৌশলে পায়ের মোজার ভেতরে লুকানো দুই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় এক নারীকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ভৈরবপুর এলাকায় সিলেট বাসস্ট্যান্ডের বিপরীতে বিসমিল্লাহ ফল ভান্ডারের পাশে সড়কে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটক রানু বেগম (৪২) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী। বর্তমানে তিনি বিজয়নগর উপজেলার চাঁনপুর (ঈদগাহ সংলগ্ন) এলাকায় বসবাস করছিলেন।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, বুধবার মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে ইয়াবাগুলো গোপন রাখার চেষ্টা করেন রানু বেগম। তিনি তার বাম পায়ের মোজার ভেতরে ১০টি কালো জিপারযুক্ত পলিপ্যাকেটে ইয়াবাগুলো লুকিয়ে রাখেন। পরে তার কাছ থেকে প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে মোট ২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর কালবেলাকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার পরিমাণ ২ হাজার পিস। আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ভৈরব থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কোনোভাবেই মাদক কারবারিদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান ।
What's Your Reaction?