নার্সারি ব্যবসায়ীকে অপহরণ-নির্যাতন, গ্রেপ্তার ১

বরিশাল নগরীর ভাটারখাল এলাকার ‘মরিয়ম নার্সারি’র মালিক মিলন শেখকে অপহরণ ও মুক্তিপণের দাবিতে নির্মম নির্যাতনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটনের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার আসামির নাম মনোজ বিক্রম (২৬)। তিনি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার গ্রামের মাধব বিক্রমের ছেলে। পুলিশ জানায়, বাবুগঞ্জের রহমতপুরে যে পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে ব্যবসায়ী মিলন শেখকে নির্যাতন করা হয়েছিল, সেই বাড়িটি মনোজই ভাড়া নিয়েছিলেন। এর আগে অপহরণের দিনই এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের সহায়তায় মামলার তিন নম্বর আসামি সুমন সমদ্দারকে (৩৩) গ্রেপ্তার করা হয়। সুমন আগৈলঝাড়া উপজেলার পশ্চিম বাগধা গ্রামের সুশীল সমদ্দারের ছেলে। তবে এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বা মাস্টারমাইন্ড তাপস রায় (৫০) এখনও পলাতক রয়েছেন। তাপস বরিশাল নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকার অমল কৃষ্ণ রায়ের ছেলে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টা

নার্সারি ব্যবসায়ীকে অপহরণ-নির্যাতন, গ্রেপ্তার ১

বরিশাল নগরীর ভাটারখাল এলাকার ‘মরিয়ম নার্সারি’র মালিক মিলন শেখকে অপহরণ ও মুক্তিপণের দাবিতে নির্মম নির্যাতনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটনের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার আসামির নাম মনোজ বিক্রম (২৬)। তিনি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার গ্রামের মাধব বিক্রমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, বাবুগঞ্জের রহমতপুরে যে পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে ব্যবসায়ী মিলন শেখকে নির্যাতন করা হয়েছিল, সেই বাড়িটি মনোজই ভাড়া নিয়েছিলেন।

এর আগে অপহরণের দিনই এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের সহায়তায় মামলার তিন নম্বর আসামি সুমন সমদ্দারকে (৩৩) গ্রেপ্তার করা হয়। সুমন আগৈলঝাড়া উপজেলার পশ্চিম বাগধা গ্রামের সুশীল সমদ্দারের ছেলে। তবে এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বা মাস্টারমাইন্ড তাপস রায় (৫০) এখনও পলাতক রয়েছেন। তাপস বরিশাল নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকার অমল কৃষ্ণ রায়ের ছেলে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফুল গাছের বড় অর্ডার পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মিলন শেখকে মোবাইল ফোনে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ডেকে নেওয়া হয়। সেখান থেকে অপহরণকারীরা তাকে কৌশলে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিপরীতে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একটি শৌচাগারে আটকে রেখে মিলন শেখের ওপর পাঁচ ঘণ্টা ধরে নির্যাতন চালানো হয় এবং পরিবারের কাছে আট লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় এয়ারপোর্ট ও কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

ঘটনাস্থল থেকেই মিলনের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ সুমন সমদ্দারকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর স্ত্রী খালেদা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow