নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে পাকিস্তানের আশা বাঁচিয়ে রাখল ইংল্যান্ড

একটা সময় তো মনে হচ্ছিল এ সমীকরণ আর মেলার নয়। নিউজিল্যান্ডই ছিল এগিয়ে। ১৬০ রান তাড়া করতে নেমে ১১৭ রান তুলতেই যখন ৬ উইকেট খোয়াল ইংলিশরা, তখন ক্রিকইনফো জানাচ্ছিল ম্যাচটা জেতার সম্ভাবনা নিউজিল্যান্ডের ৮৪ শতাংশ।  সেখান থেকে ইংলিশদের জিততে হলে, নিউজিল্যান্ড আর পাকিস্তানকে ঝুলিয়ে রেখে সুপার এইটের গ্রুপ ২ এর রোমাঞ্চটা শেষ দিন পর্যন্ত নিয়ে যেতে হলে একটা মিরাকলের প্রয়োজন ছিল। ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত তাই করে দেখিয়েছে। ৪ উইকেট আর ৩ বল হাতে রেখে লক্ষ্যটা টপকে গেছে।  আর তাতেই গ্রুপের লড়াই জমে উঠেছে। পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার ম্যাচটাই এখন ঠিক করে দেবে, ইংল্যান্ডের পর গ্রুপ ২ থেকে শেষ চারে যাবে নিউজিল্যান্ড নাকি পাকিস্তান।  শুক্রবার আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ১৫৯ রানে ৭ উইকেট তোলে নিউজিল্যান্ড। ম্যাচটি সহজ ছিল না ইংল্যান্ডের জন্য। শুরুতেই ধাক্কা খায় তারা। ফিল সল্ট ও জস বাটলার দ্রুত আউট হন। আট বলেই দলীয় রান ছিল ২ উইকেটে ২। নবম ওভারে ৫৮ রানে চার উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ও জ্যাকব বেথেল দ্রুত ফিরে যান। এই পরিস্থিতি থেকে ইংলিশদের আশা দেখাচ্ছিলেন জেকব বেথেল আর স্যাম ক

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে পাকিস্তানের আশা বাঁচিয়ে রাখল ইংল্যান্ড

একটা সময় তো মনে হচ্ছিল এ সমীকরণ আর মেলার নয়। নিউজিল্যান্ডই ছিল এগিয়ে। ১৬০ রান তাড়া করতে নেমে ১১৭ রান তুলতেই যখন ৬ উইকেট খোয়াল ইংলিশরা, তখন ক্রিকইনফো জানাচ্ছিল ম্যাচটা জেতার সম্ভাবনা নিউজিল্যান্ডের ৮৪ শতাংশ। 

সেখান থেকে ইংলিশদের জিততে হলে, নিউজিল্যান্ড আর পাকিস্তানকে ঝুলিয়ে রেখে সুপার এইটের গ্রুপ ২ এর রোমাঞ্চটা শেষ দিন পর্যন্ত নিয়ে যেতে হলে একটা মিরাকলের প্রয়োজন ছিল। ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত তাই করে দেখিয়েছে। ৪ উইকেট আর ৩ বল হাতে রেখে লক্ষ্যটা টপকে গেছে। 

আর তাতেই গ্রুপের লড়াই জমে উঠেছে। পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার ম্যাচটাই এখন ঠিক করে দেবে, ইংল্যান্ডের পর গ্রুপ ২ থেকে শেষ চারে যাবে নিউজিল্যান্ড নাকি পাকিস্তান। 

শুক্রবার আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ১৫৯ রানে ৭ উইকেট তোলে নিউজিল্যান্ড। ম্যাচটি সহজ ছিল না ইংল্যান্ডের জন্য। শুরুতেই ধাক্কা খায় তারা। ফিল সল্ট ও জস বাটলার দ্রুত আউট হন। আট বলেই দলীয় রান ছিল ২ উইকেটে ২।

নবম ওভারে ৫৮ রানে চার উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ও জ্যাকব বেথেল দ্রুত ফিরে যান। এই পরিস্থিতি থেকে ইংলিশদের আশা দেখাচ্ছিলেন জেকব বেথেল আর স্যাম কারান। তবে ১০০ রানে কারান আর ১১৭ রানে বেথেল ফিরলে ইংল্যান্ড চলে যায় আরও ব্যাকফুটে। 

সেখান থেকে উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ দলকে টেনে তোলেন। তারা সপ্তম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৪৪ রানের জুটি গড়েন। জ্যাকস করেন ৩২ রান। রেহান করেন ১৯ রান। তাদের জুটিতেই জয় পায় ইংল্যান্ড।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। জিতলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হতো তাদের। শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারানো একই দল নিয়েই নামে নিউজিল্যান্ড।

ইংল্যান্ড দলে একটি পরিবর্তন আনে। জেমি ওভারটনের জায়গায় ফেরানো হয় রেহান আহমেদকে। শুরুতে সিদ্ধান্তটি ভুল মনে হচ্ছিল। ৬ দশমিক ৫ ওভারে উইকেট না হারিয়ে ৬৪ রান তোলে নিউজিল্যান্ড।

এরপর ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। আদিল রশিদ আউট করেন টিম সাইফার্টকে। তিনি ২৫ বলে ৩৫ রান করেন। পরে উইল জ্যাকস ফেরান ফিন অ্যালেনকে। তিনি ১৯ বলে ২৯ রান করেন।

বিশ্বকাপের প্রথম বলেই উইকেট পান রেহান আহমেদ। তার শিকার হন রাচিন রবীন্দ্র। গ্লেন ফিলিপস ২৮ বলে ৩৯ রান করেন। পরে তিনি জ্যাকসের দ্বিতীয় শিকার হন। রশিদ ও রেহান দুজনেই নেন দুটি করে উইকেট।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow