নিউজিল্যান্ডে জরুরি অবস্থা জারি
প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির রাজধানী ওয়েলিংটনে সোমবার থেকে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খবর বিবিসির। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এক ঘণ্টারও কম সময়ে রেকর্ড ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে শহরের বিভিন্ন সড়ক পানিতে ডুবে যায়, যানবাহন ভেসে যায়, গাছ উপড়ে পড়ে এবং ভূমিধসে বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওয়েলিংটনের মেয়র অ্যান্ড্রু লিটল বলেন, পরিস্থিতি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ। আরও দেড় দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাসিন্দাদের ঘরে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে, ওয়েলিংটন বিমানবন্দরে কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েক এলাকার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কারোর মৃত্যুর খবর না মিললেও শহরের কারোরি এলাকায় এক ৬০ বছর বয়সী ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। এই বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে মাত্র এক সপ্তাহ আগে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় ঘূর্ণিঝড় ভাইয়ানুর পরপরই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে এ ধরনের চরম আবহাওয়া আরও ঘন ঘন ও তীব্র হয়ে
প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির রাজধানী ওয়েলিংটনে সোমবার থেকে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খবর বিবিসির।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এক ঘণ্টারও কম সময়ে রেকর্ড ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে শহরের বিভিন্ন সড়ক পানিতে ডুবে যায়, যানবাহন ভেসে যায়, গাছ উপড়ে পড়ে এবং ভূমিধসে বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ওয়েলিংটনের মেয়র অ্যান্ড্রু লিটল বলেন, পরিস্থিতি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ। আরও দেড় দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাসিন্দাদের ঘরে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, ওয়েলিংটন বিমানবন্দরে কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েক এলাকার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কারোর মৃত্যুর খবর না মিললেও শহরের কারোরি এলাকায় এক ৬০ বছর বয়সী ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন।
এই বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে মাত্র এক সপ্তাহ আগে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় ঘূর্ণিঝড় ভাইয়ানুর পরপরই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে এ ধরনের চরম আবহাওয়া আরও ঘন ঘন ও তীব্র হয়ে উঠছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বর্ণনায় জানা গেছে, কোথাও কোথাও পানি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে গাড়ি সরিয়ে নিয়েছে, এমনকি ম্যানহোলের ঢাকনাও খুলে গেছে। কিংস্টন এলাকায় ভূমিধসে রাস্তা চাপা পড়ে যাওয়ায় এক বাসিন্দাকে মোটরসাইকেলে করে সরে যেতে হয়েছে।
What's Your Reaction?