নিউজিল্যান্ড সিরিজে হবে ‘আন্তর্জাতিক মানের’ উইকেট!
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সিরিজের ম্যাচগুলো যে ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে, সেসব মাঠের উইকেট ও আউটফিল্ড প্রস্তুত করতে কাজ চলছে। নতুন এডহক কমিটির গ্রাউন্ডস বিভাগ মাঠ ও উইকেট ব্যবস্থাপনায় আলাদা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার বিসিবি কার্যালয়ে এক সভা শেষে গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, আসন্ন সিরিজে এমন উইকেট তৈরি করার চেষ্টা থাকবে যেখানে স্বাগতিক দল কিছুটা সুবিধা পাবে। তবে আন্তর্জাতিক মানের বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা ভালো উইকেট চাই, যেখানে দুই দলই স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে পারে। আন্তর্জাতিক মানে কোনো ঘাটতি রাখা হবে না।’ বর্তমানে বৃষ্টির মৌসুম হওয়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক রাখা, প্রয়োজন অনুযায়ী কভার ব্যবহার এবং আউটফিল্ডের মান উন্নত রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে বিসিবি। নিউজিল্যান্ড সিরিজ হবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে। এই দুই মাঠের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে দ্রুত বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘এগুলো নিয়ে আজকে আলোচনায় হয়েছে। আগ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সিরিজের ম্যাচগুলো যে ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে, সেসব মাঠের উইকেট ও আউটফিল্ড প্রস্তুত করতে কাজ চলছে। নতুন এডহক কমিটির গ্রাউন্ডস বিভাগ মাঠ ও উইকেট ব্যবস্থাপনায় আলাদা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার বিসিবি কার্যালয়ে এক সভা শেষে গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, আসন্ন সিরিজে এমন উইকেট তৈরি করার চেষ্টা থাকবে যেখানে স্বাগতিক দল কিছুটা সুবিধা পাবে। তবে আন্তর্জাতিক মানের বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা ভালো উইকেট চাই, যেখানে দুই দলই স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে পারে। আন্তর্জাতিক মানে কোনো ঘাটতি রাখা হবে না।’
বর্তমানে বৃষ্টির মৌসুম হওয়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক রাখা, প্রয়োজন অনুযায়ী কভার ব্যবহার এবং আউটফিল্ডের মান উন্নত রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে বিসিবি। নিউজিল্যান্ড সিরিজ হবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে।
এই দুই মাঠের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে দ্রুত বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘এগুলো নিয়ে আজকে আলোচনায় হয়েছে। আগামী দুদিনের মধ্যে প্রত্যেকটি গ্রাউন্ডের, ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক জন্য যে সমস্ত মাঠগুলো বাছাই করা হয়েছে- সেগুলোর কী কন্ডিশন, সে বিষয়ে রিপোর্ট দিতে বলেছি। রিপোর্ট পাওয়ার পর আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। যদিও অল্প সময়, তবে আমাদের ইচ্ছা থাকলে আমরা ঠিক করতে পারব বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।’
এসকেডি/আইএইচএস
What's Your Reaction?