নিখোঁজের দুদিন পর খোয়াই নদীতে মিলল শ্রমিকের লাশ
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে খোয়াই নদীতে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর আব্দুল জলিল (৫০) নামে এক দিনমজুরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে স্থানীয়রা নদীতে লাশটি ভাসতে দেখে পরিবারকে খবর দিলে স্বজনরা গিয়ে পরিচয় শনাক্ত করেন। নিহত আব্দুল জলিল চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের খেতামারা গ্রামের মৃত আবুল হাশেমের ছেলে। তিনি স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী আকিল মিয়ার অধীনে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আমুরোড হাট থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন আব্দুল জলিল। সন্ধ্যার দিকে কোটাবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে তিনি সাঁতরে খোয়াই নদী পার হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় নদীর প্রবল স্রোতে তিনি তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন। দীর্ঘক্ষণ পর গরুটি একা বাড়ি ফিরে এলেও জলিল আর ফেরেননি। ঘটনার পর চুনারুঘাট ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি। অবশেষে শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলের অদূরে তার লাশ ভেসে ওঠে। চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নদীর ওই অংশে বালুমহাল থাকায় প্রায় ১২ ফুট
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে খোয়াই নদীতে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর আব্দুল জলিল (৫০) নামে এক দিনমজুরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে স্থানীয়রা নদীতে লাশটি ভাসতে দেখে পরিবারকে খবর দিলে স্বজনরা গিয়ে পরিচয় শনাক্ত করেন।
নিহত আব্দুল জলিল চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের খেতামারা গ্রামের মৃত আবুল হাশেমের ছেলে। তিনি স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী আকিল মিয়ার অধীনে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আমুরোড হাট থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন আব্দুল জলিল। সন্ধ্যার দিকে কোটাবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে তিনি সাঁতরে খোয়াই নদী পার হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় নদীর প্রবল স্রোতে তিনি তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন। দীর্ঘক্ষণ পর গরুটি একা বাড়ি ফিরে এলেও জলিল আর ফেরেননি।
ঘটনার পর চুনারুঘাট ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি। অবশেষে শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলের অদূরে তার লাশ ভেসে ওঠে।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নদীর ওই অংশে বালুমহাল থাকায় প্রায় ১২ ফুট গভীরতা ও তীব্র স্রোত ছিল। নিরাপদ পথ ব্যবহার না করে দ্রুত নদী পার হতে গিয়েই তিনি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
What's Your Reaction?