নিখোঁজের ৬ দিন পর কিশোর উদ্ধার, প্রতারকদের ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি
চট্টগ্রামে নিখোঁজ হওয়া এক কিশোরকে ছয়দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে নগরের রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এদিকে, নিখোঁজের ঘটনার সুযোগ নিয়ে একে অপহরণ দাবি করে ওই কিশোরের পরিবারের কাছে সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়েছে একটি প্রতারক চক্র। উদ্ধার হওয়া কিশোরের নাম মুহিন (১৫)। সে কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের বাসিন্দা। সে নগরের কালামিয়া বাজার এলাকায় গাড়ির গ্যারেজে কাজ করতো। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মুহিন গত ১৯ এপ্রিল সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় পরিবার কর্ণফুলী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এদিকে, মুহিন নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যদের কাছে একাধিক মোবাইল ফোন নম্বর থেকে কল আসে। ফোনে ওই কিশোরকে অপহরণ করা হয়েছে দাবি করে সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। একপর্যায়ে টাকার পরিমাণ দুই হাজার ২০০ টাকায় নেমে আসে। মুহিনের মামা মোজ্জামেল হোসেন বলেন, অভিমান করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় মুহিন। পরে নগরের ভেড়া মার্কেট এলাকায় কয়েক দিন ঘোরাঘুরির পর রেলস্টেশন-সংলগ্ন একটি কুলিং কর্নারে অবস্থান নেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়ার সুযোগে এক
চট্টগ্রামে নিখোঁজ হওয়া এক কিশোরকে ছয়দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে নগরের রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, নিখোঁজের ঘটনার সুযোগ নিয়ে একে অপহরণ দাবি করে ওই কিশোরের পরিবারের কাছে সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়েছে একটি প্রতারক চক্র।
উদ্ধার হওয়া কিশোরের নাম মুহিন (১৫)। সে কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের বাসিন্দা। সে নগরের কালামিয়া বাজার এলাকায় গাড়ির গ্যারেজে কাজ করতো।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মুহিন গত ১৯ এপ্রিল সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় পরিবার কর্ণফুলী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এদিকে, মুহিন নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যদের কাছে একাধিক মোবাইল ফোন নম্বর থেকে কল আসে। ফোনে ওই কিশোরকে অপহরণ করা হয়েছে দাবি করে সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। একপর্যায়ে টাকার পরিমাণ দুই হাজার ২০০ টাকায় নেমে আসে।
মুহিনের মামা মোজ্জামেল হোসেন বলেন, অভিমান করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় মুহিন। পরে নগরের ভেড়া মার্কেট এলাকায় কয়েক দিন ঘোরাঘুরির পর রেলস্টেশন-সংলগ্ন একটি কুলিং কর্নারে অবস্থান নেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়ার সুযোগে একটি প্রতারক চক্র পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এমনকি ফোনে এক কিশোরের কণ্ঠস্বরও শোনানো হয়।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কিশোরের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তিনি জানান, মুক্তিপণ দাবির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
এমআরএএইচ/একিউএফ
What's Your Reaction?