নিখোঁজ নারীর মরদেহ মিলল হাসপাতালের লিফটের গর্তে
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে শিশু সন্তানের চিকিৎসা করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া নারীর মরদেহ পাওয়া গেছে একই হাসপাতালের লিফটের নিচের গর্তে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুর্গন্ধের উৎসের খুঁজতে গিয়ে মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত নারীর নাম কোহিনূর আকতার। তিনি উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়ন ৭ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ ডেইলপাড়া এলাকার কাতার প্রবাসী নুরুল ইসলামের স্ত্রী। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মং টিং নিও বলেন, হাসপাতালের লিফটের নিচ থেকে গন্ধ বের হলে উৎস সন্ধানের পর লিফটের নিচের গর্তে মরদেহটির সন্ধান পাওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, মরদেহের সন্ধান পেয়ে স্বজনদের তথ্যটা জানানো হয়। নিহতের স্বজন, পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে উদ্ধার কার্যক্রম চলে। লিফটের নিচে তিনি কীভাবে গেলেন তার কোনো ক্লু মিলছে না। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ছমিউদ্দীন বলেন, গত ৩ মার্চ কোহিনূর আকতারের বড় মেয়ে মরিয়ম আক্তার (৫) অসুস্থ হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শিশুটিকে হাসপাতালের পঞ্চম তলার শিশু ওয়ার্ডের ২ নম্বর ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। মা ও মেয়ে উভয়েই হাসপাতালে অবস্থান কর
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে শিশু সন্তানের চিকিৎসা করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া নারীর মরদেহ পাওয়া গেছে একই হাসপাতালের লিফটের নিচের গর্তে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুর্গন্ধের উৎসের খুঁজতে গিয়ে মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহত নারীর নাম কোহিনূর আকতার। তিনি উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়ন ৭ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ ডেইলপাড়া এলাকার কাতার প্রবাসী নুরুল ইসলামের স্ত্রী।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মং টিং নিও বলেন, হাসপাতালের লিফটের নিচ থেকে গন্ধ বের হলে উৎস সন্ধানের পর লিফটের নিচের গর্তে মরদেহটির সন্ধান পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, মরদেহের সন্ধান পেয়ে স্বজনদের তথ্যটা জানানো হয়। নিহতের স্বজন, পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে উদ্ধার কার্যক্রম চলে। লিফটের নিচে তিনি কীভাবে গেলেন তার কোনো ক্লু মিলছে না। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ছমিউদ্দীন বলেন, গত ৩ মার্চ কোহিনূর আকতারের বড় মেয়ে মরিয়ম আক্তার (৫) অসুস্থ হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শিশুটিকে হাসপাতালের পঞ্চম তলার শিশু ওয়ার্ডের ২ নম্বর ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। মা ও মেয়ে উভয়েই হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ৪ মার্চ দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে কোহিনূর আকতার ওষুধ আনার কথা বলে হাসপাতালের পঞ্চম তলা থেকে নিচে নামেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ নারীর শ্বশুর আলী আকবর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।
ওসি বলেন, নিখোঁজের পর থেকে পুলিশ কোহিনূর আকতারকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করতে থাকে। এর মধ্যে আজ দুপুরে হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ জানায়, লিফটের নিচে একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে। ওই নারী কীভাবে গর্তে পড়ে গেছে, তার কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধান চলছে। বিস্তারিত পরে জানা যাবে।
What's Your Reaction?