নিজেকে ছাড়িয়ে সাফল্যের মিশনে আবারও নেতৃত্ব হাসান মাহমুদ

হাসান মাহমুদ কি মনে মনে নাহিদ রানাকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন? কঠিন সত্য হলো, নাহিদ রানা সম্পূর্ণ সুস্থ থাকলে হয়তো ডারউইন টেস্ট খেলা হতো না হাসান মাহমুদের। এ ফাস্টবোলারকে সব জেনে-শুনেই শ্রীলঙ্কার এলপিএল খেলার অনুমতি দিয়েছিল বিসিবি; কিন্তু নাহিদ রানার ইনজুরি দেখেই শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলে হাসান মাহমুদকে এলপিএলের মাঝপথে ফিরিয়ে এনে অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। আর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে সেই হাসান মাহমুদই দেশকে উপহার দিলেন দুর্দান্ত এক সাফল্য। ১৩ আগস্ট ডারউইনে মাত্র ৪৩ রানে ৬ উইকেটের পতন ঘটিয়ে টেস্টে নিজের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং নৈপুণ্য উপহার দিয়েছেন হাসান মাহমুদ। এর আগে তার এক ইনিংসের সেরা বোলিং ফিগার ছিল ৪৩ রানে ৫ উইকেট। সেটা ছিল ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে। আজ বৃহস্পতিবার নিজেকে ছাপিয়ে গেলেন লক্ষ্মীপুরের এ ২৬ বছর বয়সী ফাস্টবোলার। নিজেকে ছাপিয়ে যাওয়ার দিনে আরেক বড়-সড় সাফল্যের ফলক স্পর্শ করলেন। টেস্টে তো বটেই, যে কোনো ফরম্যাটেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ৫ বা তার বেশি উইকেট শিকারি প্রথম বাংলাদেশি বোলার হলেন হাসান মাহমুদ। সাম্প্রতিক সময়ে নাহিদ রানার সাফল্য নিয়ে বেশি হৈচৈ হলেও হাসান মাহমুদও

নিজেকে ছাড়িয়ে সাফল্যের মিশনে আবারও নেতৃত্ব হাসান মাহমুদ

হাসান মাহমুদ কি মনে মনে নাহিদ রানাকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন? কঠিন সত্য হলো, নাহিদ রানা সম্পূর্ণ সুস্থ থাকলে হয়তো ডারউইন টেস্ট খেলা হতো না হাসান মাহমুদের।

এ ফাস্টবোলারকে সব জেনে-শুনেই শ্রীলঙ্কার এলপিএল খেলার অনুমতি দিয়েছিল বিসিবি; কিন্তু নাহিদ রানার ইনজুরি দেখেই শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলে হাসান মাহমুদকে এলপিএলের মাঝপথে ফিরিয়ে এনে অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। আর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে সেই হাসান মাহমুদই দেশকে উপহার দিলেন দুর্দান্ত এক সাফল্য।

১৩ আগস্ট ডারউইনে মাত্র ৪৩ রানে ৬ উইকেটের পতন ঘটিয়ে টেস্টে নিজের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং নৈপুণ্য উপহার দিয়েছেন হাসান মাহমুদ। এর আগে তার এক ইনিংসের সেরা বোলিং ফিগার ছিল ৪৩ রানে ৫ উইকেট। সেটা ছিল ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে। আজ বৃহস্পতিবার নিজেকে ছাপিয়ে গেলেন লক্ষ্মীপুরের এ ২৬ বছর বয়সী ফাস্টবোলার।

নিজেকে ছাপিয়ে যাওয়ার দিনে আরেক বড়-সড় সাফল্যের ফলক স্পর্শ করলেন। টেস্টে তো বটেই, যে কোনো ফরম্যাটেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ৫ বা তার বেশি উইকেট শিকারি প্রথম বাংলাদেশি বোলার হলেন হাসান মাহমুদ।

সাম্প্রতিক সময়ে নাহিদ রানার সাফল্য নিয়ে বেশি হৈচৈ হলেও হাসান মাহমুদও কম যাননি। বরং কোনো কোনো সময় হাসান মাহমুদই হয়ে উঠেছেন প্রধান নির্ভরতা।

ইতিহাস জানাচ্ছে, আজ ১৩ আগস্ট নিয়ে টেস্টে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের তিন পেসার মিলে প্রতিপক্ষের ১০ উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। প্রথমটি ছিল ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে, পাকিস্তানের বিপক্ষে।

আজ যে তরুণ ফাস্টবোলার অস্ট্রেলিয়ান প্রথম ইনিংসে ধস নামিয়েছেন, ২ বছর আগে রাওয়ালপিন্ডিতেও সেই হাসান মাহমুদ পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪৩ রানে ৫ উইকেটের পতন ঘটিয়েছিলেন। সেই ম্যাচে ৪ উইকেট (৪৪ রানে) শিকারি ছিলেন নাহিদ রানা। আর তাসকিনের ঝুলিতে জমা পড়ে এক উইকেট (৪০ রানে)।

সেখানে আজ হাসান মাহমুদ পতন ঘটিয়েছেন ৫৫ রানে ৬ উইকেট। তাসকিন (২/৫৫) ও এবাদত হোসেন (২/৩৯) বাকি ৪ উইকেট ভাগ করে নিয়েছেন।

এআরবি/আইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow