নিজের অতীত নিয়ে মুখ খুললেন অরিজিৎ সিং

ভারতের মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জের অলিগলি থেকে বিশ্বসংগীতের রাজমুকুট, অরিজিৎ সিংয়ের এই রূপকথার পথচলা আজ কারোর অজানা নয়। কিন্তু যে কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ হয়ে থাকে কোটি প্রাণ, সেই সুরের ভূবনে রাজত্ব  করতে একদিন নিজের ওপর অমানুষিক ‘অত্যাচার’ চালিয়েছিলেন শিল্পী নিজেই। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে সাফল্যের সেই অন্ধকার ও যন্ত্রণাময় অধ্যায় নিয়ে মুখ খুলেছেন অরিজিৎ, যা শুনে রীতিমতো স্তব্ধ তার ভক্তকুল। সেই প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে অরিজিৎ নিজের সাফল্যের পেছনের গল্প নিয়ে জানান, পেশাদার জীবনে যখন যাত্রা শুরু করেন, তখন নিজের গলার স্বর মোটেও পছন্দ হতো না তার। এমনকি সেই সময় অনেকের সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে তাকে। আজ তার কণ্ঠে যে দরদ ও নিখুঁত আবেগ কঠোর শ্রমে নিজের গলাকে ভেঙে নতুন রূপ দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আসলে আগে আমার আওয়াজ অনেকেই পছন্দ করতেন না। আমি অনেকটা স্থাপত্য নির্মাণের মতো কেটে কেটে নিজের গলাটা তৈরি করেছি। গলার পেশিগুলোকে কাঙ্ক্ষিত ছাঁচে ফেলতে অনেক অত্যাচার করেছি নিজের ওপর। রেওয়াজ করতে করতে আমি সব সীমা ছাড়িয়ে যেতাম। সারা রাত এমনভাবে প্র্যাকটিস করতাম যে, ক্লান্তিতে গলা ভেঙে বসে যেত।’ উল

নিজের অতীত নিয়ে মুখ খুললেন অরিজিৎ সিং

ভারতের মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জের অলিগলি থেকে বিশ্বসংগীতের রাজমুকুট, অরিজিৎ সিংয়ের এই রূপকথার পথচলা আজ কারোর অজানা নয়। কিন্তু যে কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ হয়ে থাকে কোটি প্রাণ, সেই সুরের ভূবনে রাজত্ব  করতে একদিন নিজের ওপর অমানুষিক ‘অত্যাচার’ চালিয়েছিলেন শিল্পী নিজেই। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে সাফল্যের সেই অন্ধকার ও যন্ত্রণাময় অধ্যায় নিয়ে মুখ খুলেছেন অরিজিৎ, যা শুনে রীতিমতো স্তব্ধ তার ভক্তকুল।

সেই প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে অরিজিৎ নিজের সাফল্যের পেছনের গল্প নিয়ে জানান, পেশাদার জীবনে যখন যাত্রা শুরু করেন, তখন নিজের গলার স্বর মোটেও পছন্দ হতো না তার। এমনকি সেই সময় অনেকের সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে তাকে। আজ তার কণ্ঠে যে দরদ ও নিখুঁত আবেগ কঠোর শ্রমে নিজের গলাকে ভেঙে নতুন রূপ দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আসলে আগে আমার আওয়াজ অনেকেই পছন্দ করতেন না। আমি অনেকটা স্থাপত্য নির্মাণের মতো কেটে কেটে নিজের গলাটা তৈরি করেছি। গলার পেশিগুলোকে কাঙ্ক্ষিত ছাঁচে ফেলতে অনেক অত্যাচার করেছি নিজের ওপর। রেওয়াজ করতে করতে আমি সব সীমা ছাড়িয়ে যেতাম। সারা রাত এমনভাবে প্র্যাকটিস করতাম যে, ক্লান্তিতে গলা ভেঙে বসে যেত।’

উল্লেখ্য, ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে অরিজিৎ গেয়েছেন প্রচুর গান। তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয় ‘আশিকী ২’ সিনেমার গান গুলো। তবে অরিজিৎ আপাতত সিনেমার গান থেকে অবসর নিয়েছেন। বর্তমানে নতুন ধরনের গান তৈরিতে ব্যস্ত তিনি। অরিজিৎ নতুন প্রতিভাদের তুলে ধরতে চান, নিজেই জানিয়েছেন সে কথা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow